• Sogood Islam Syeds

    যেসব হানাফী আলেম তারাবীহ সালাত ৮ রাকায়াত বলেছেন তাদের একটি তালিকাঃ >>> ১. আনোয়ার শাহ্ কাশ্মিরী (রহঃ) তিনি তার কিতাব, আল্ আরফুসসাজি। তিরমিজির সরাহ/ব্যখ্যা ভারত দেওবন্দ ছাপা, সেই কিতাবের ৩৩০ পৃষ্ঠায় লিখেছেন। কোন উপায় নেই, এ কথা মেনে নেওয়া ছাড়া, যে নবী করিম (সাঃ) এর তারাবীহ্ ৮ রাকায়াত ছিল। এ কথা মানা ছাড়া আমাদের কোন উপায় নেই। ২. মোল্লা আলী ক্বারী হানাফী মিস্কাতের সরাহ্/ব্যাখ্যা (ভাষ্য) মিরকাত ১ম খণ্ড ১১৫ পৃষ্ঠা লিখেছেন। তারাবীহ্ আসলে এগার রাকাত। রাসুল (সা.) পরেছেন অতঃপর বিশেষ কারণে তিনি ছেড়ে দিয়েছেন। ৩. আল্লামা ইবনুল হুমাম হানাফী তিনি তার কিতাব হিদায়াত ব্যাখ্যা তাতে তিনি ১ম খণ্ড ২০৫ পৃষ্ঠায় লিখেছেন, ….আমার যে বক্তব্য তার সারকথা হচ্ছে যে, রমজান মাসের কিয়াম, তারাবীহ হচ্ছে এগার রাকাত সুন্নাত, বিতর সহ জামায়াতে। নবী করিম (সা.) এটা করেছেন এবং বিশেষ কারণে ছেড়ে দিয়েছেন। ৪. আল্লামা আব্দুল হাই লখনবী (রহ:) তার একটি ভাষ্য রয়েছে শরহে বেকায়া’র, হেদারার পরে ফিকাহ’র প্রসিদ্ধ কিতাব আরবি কওমী মাদ্রাসায় পড়া হয়। সেই উমদাতুর রেয়ায়আ কিতাবে তিনি- ইবনে হীব্বান যে তিনটি দলিলের একটি যাবের (রা:) যে বর্ননা দিয়ে বলেছেন নবী করিম (সা.) ৮ রাকাত পড়েছেন তারপর তিন রাকাত বিতর পড়েছেন। এটাই সবচাইতে বেশি সহীহ্। ৫. আল্লামা আব্দুল হক মোহাদ্দেস দেহলভী ভারতের দিল্লীর অধিবাসী ছিলেন। শাহ ওয়ালী উল্লাহ মোহাদ্দেস দেহলভীর আগের জামানার লোক ছিলেন। তারই লিখা মিসকাতের একটি ভাষ্য আছে ফারসি ভাষায়। তার লিখা একটি কিতাব। নাম মাসাবাতিস্ সুন্নাহ তাহা হাদিস দ্বারা, সুন্নাত দ্বারা প্রমাণিত সেই কিতাবের ২১৭ পৃষ্ঠায় তিনি লিখেছেন মা আয়েশা (রা.) থেকে যে এগার রাকাতের হাদিস বর্ণনা করা হয়েছে সেটা সহীহ্। যাহা রাসুল (সা.) রাতের নামাজে অভ্যস্ত ছিলেন। বর্ণিত আছে যে, হযরত ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ (রহ:) খিলাফত যুগে রাসুল (সা.) সুন্নাত এর অনুসরণের আশায় এগার রাকাত নামাজ পড়তেন। ৬. দেওবন্দ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা কাশেম নানাতুবি (রহ:) তার একটি কিতাব রয়েছে ফউযে কাশেমিয়া। তার ১৮ পৃষ্ঠায় তিনি লিখেছেন ফারসি ভাষায় লেখা কিতাবটি। রাসুল (স.) আমল দ্বারা প্রমাণিত এগার রাকাত। এটাই হচ্ছে বলিষ্ঠ প্রমাণ। ৭. জাকারিয়া কান্দলবি (র.) তিনি তার একটি কিতাব রয়েছে, মুয়াত্তা মালিক এর একটি ভাষ্য লিখেছেন নাম আউযাজুল মাছালে। এই কিতাবের ১ম খণ্ড ৩৯৭ পৃষ্ঠায় লিখেছেন এতে কোন সন্দেহ নেই যে বিশ রাকাত তারাবীহ নির্ধারণ করবো এ বিষয়টি প্রমাণিত নয়। মারফু হাদিস দ্বারা নবী করিম (স.) পর্যন্ত প্রমাণিত করবো যে তিনি বিশ রাকাত তারাবীহ পড়েছেন তা প্রমাণ করা যাবে না এবং এতে কোন সন্ধেহ নেই। হাদিসের মোহাদ্দিগণের যে হাদিস পরীক্ষা করায় যে পদ্ধতি সহী যঈফের সেই কায়দা কানুন মোতাবেক কোন বিশুদ্ধ সুত্র দিয়ে সহীহ্ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত করা সম্ভব নয়। ৮. আল্লামা সৈয়দ আহম্মদ হানাফী ভারতের আলেম তিনি বলেছেন তারাবী এগার রাকাত ছিল। ৯. আল্লামা হামুবি হানাফী সারুল আসবা ওয়াল নাযায়ের কিতাবে লেখেন নবী করিম (সা.) বিশ রাকাত পড়েননি বরং (ছামানিয়ান) আট রাকাত পড়েছেন। ১০. মারাকিউল ফালাসা নূরুল ইজা কিতাবে ২৪৭ পৃষ্ঠায় লেখেন প্রমানিত হয়েছে যে জামাতে নবী (স.) বেতের সহ এগার রাকাত পড়েছেন। ১১. দারুল উলুম দেওবন্দ এর প্রসিদ্ধ আলেম রশিদ আহমেদ গাঙ্গুহী তার একটি কিতাব রয়েছে হাক্কুছ সেরিহ এই কিতাবে তিনি লিখেছেন ১১ রাকাত তারাবীহ রাসুল (স.) থেকে বলিষ্ঠভাবে প্রমাণিত। ১২. আবু তাইয়্যেব মোহাম্মদ বিন আবদুল কাদের সিন্দ (নক্সবন্দী) ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত যে নবী (স.) বিশ রাকাত এবং বিতর পরেছেন রমজান মাসে ইবনে আবী সায়বা যে ইহা বর্ননা উহার সনদ যঈফ। অথচ বুখারী/মুসলিমে আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত এগার রাকাতের বেশি না পড়ার হাদিস বিরোধী। কাজেই ২০ রাকাতের দলিল হতে পারে না। বিশ রাকাতের হাদিস যঈফ আর এগার রাকাতের হাদিস সহী তিরমিজির ভাষ্য ৪২৩ পৃষ্ঠায় তিনি লিখেছেন। ১৩. ইবনে আবেদীন সামি সামদেশের হানাফি আলেম তিনি লিখেছেন-সুন্নাত হচ্ছে আট রাকাত পড়া বাকি মুস্তাহাব। কিতাবের নাম রদ্দুল মোহতার। দুররে মোখতার এর ভাষ্য রদ্দুল মোখতার। ১ম খণ্ড ৪৯৫ পৃষ্ঠা। ১৪. আবু সৌদ হানাফি একজন ফকিহ্ তিনি বলেছেন- নবী করিম (স.) বিশ রাকাত পরেননি বরং ৮ রাকাত পড়েছেন। কিতাবের নাম সাররে কানযুত দাকায় ২৬৫ পৃষ্ঠাতে তিনি একথা লিখেছেন। ১৫. ভারতের হানাফী আলেম মোহাম্মদ আহছান নানাতুবি তিনি বলেছেন নবী (স.) বিশ রাকাত পরেননি বরং আট রাকাত পরেছেন। হাসিয়া কানযুত দাকায় হাসিয়া বা টিকায় ৩৬ পৃষ্ঠায়। ১৬. হানাফি ফকিহ্ আল্লামা কামাল ইবনুল হামাম হানাফী লিখেছেন রমজান মাসের কিয়াম হচ্ছে এগার রাকাত বিতর সহ, জামাত সহকারে নবী করিম (স.) পড়েছেন। এটা রয়েছে ফতহুল কাদির, ফতহুল কাদির হয় হাসিয়া বা টিকায়। ফতহুল কাদির একটি ফিকাহ্ কিতাবের ভাষ্য এর ১ম খণ্ড ১৯৮ পৃষ্ঠায় মিশরের ছাপা। ১৭. আল্লামা আহমদ তাহাবী তিনি এক প্রখ্যাত ফকিহ্ তিনি বলেছেন- নবী (স.) বিশ রাকাত পরেননি বরং আট রাকাত পড়েছেন। তাহবীর হাসিয়া, দুররে মুহতার। ১৮. ইবনে নাজিম হানাফী ইবনে নাজিম হানাফীর একটি কিতাব রয়েছে ফিকাহ্র কিতাবের নাম বাহারুর রাইখ তার ২য় খণ্ড ৭২ পৃষ্ঠায় তিনি লিখেছেন তারবীহ নামাজ এগার রাকাত ছিল বিতর সহ। বুখারী, মুসলিমে আয়েশা (রা.) হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। সুতরাং আমাদের মাশায়েক হানাফি ওলামাদের নিকটে আমাদের তরিকা মোতাবেক ফতোয়া হচ্ছে সুন্নত হচ্ছে আট রাকাত আর বার রাকাত হচ্ছে মুস্তাহাব । ১৯. আনোয়ার শাহ কাশ্মিরী দেওবন্দের একজন ওস্তাদ ছিলেন। হাদিস পড়াইতেন সেই আল্লামা আনোয়ার শাহ কাশ্মিরী লিখেছেন নবী করিম (স.) হতে বিশুদ্ধ সূত্রে প্রমাণিত হচ্ছে আট রাকাত পক্ষান্তরে বিশ রাকাত হচ্ছে দুর্বল সনদ দিয়ে। বিশ রাকাতের হাদিস যইক এর উপর ইজমা রয়েছে। তাহলে বর্তমান যুগে উল্টো হয়ে গেল কেন?
    মোহাম্মদ সাইদুর রহমান
  • Sogood Islam Syeds
    5/28, 7:14pm

    Sogood Islam Syeds

    তারাবীর জন্য হাফেজ নিয়োগ করে হাদিয়া দেওয়া-নেওয়া হারাম! ১৭১৪.প্রশ্ন: খতম তারাবীর ইমামতি করে বিনিময় বা হাদিয়া নেওয়া জায়েয কি না ? এক মাসের জন্য নিয়োগ দিয়ে বেতন দিলে জায়েয হবে কি না ? কেউ কেউ বলেন, ফরয নামাযের ইমামতির বিনিময় যখন জায়েয তখন খতম তারাবীর বিনিময় গ্রহণও জায়েয হবে । এছাড়া হাফেজ সাহেবকে যদি দু’এক ওয়াক্ত ফরয নামাযের দায়িত্ব দেওয়া হয় তবে তো নাজায়েয হওয়ার প্রশ্নই আসে না । তাদের একথা ঠিক কি না ? ইমামতির হীলা হোক বা অন্য কোনো উপায়ে তারাবীর বিনিময় বৈধ কি না ? উত্তর:খতম তারাবীর বিনিময় দেওয়া-নেওয়া দুটোই নাজায়েয । হাদিয়ার নামে দিলেও জায়েয হবে না । এক মাসের জন্য নিয়োগ দিয়ে বেতন হিসাবে দিলেও জায়েয নয় । কারণ এক্ষেত্রেও প্রদেয় বেতন তারাবীহ এবং খতমের বিনিময় হওয়া স্বীকৃত । মোটকথা, খতম তারাবীর বিনিময় গ্রহণের জন্য হিলা অবলম্বন করলেও তা জায়েয হবে না । কারণ খতমে তারাবীহ খালেস একটি ইবাদত, যা নামায ও রোযার মতো ‘ইবাদতে মাকসূদা’-এর অন্তর্ভুক্ত । আর এ ধরনের ইবাদতের বিনিময় বা বেতন দেওয়া-নেওয়া উম্মতে মুসলিমার ঐকমত্যের ভিত্তিতে নাজায়েয । এতে না কোনো মাযহাবের মতপার্থক্য আছে, না পূর্ববর্তী ও পরবর্তী ফকীহগণের মাঝে কোনো মতভেদ আছে । ইমামতির বেতন ঠিক করা এবং তা আদায় করা যদিও পরবর্তী ফকীহগণের দৃষ্টিতে জায়েয, কিন্তু খতম তারাবীর বিনিময়টা ইমামতির জন্য হয় না; বরং তা মূলত খতমের বিনিময়ে হয়ে থাকে । আর তেলাওয়াতের বিনিময় গ্রহণ করা সকল ফকীহ্ নিকট হারাম । অধিকন্তু পরবর্তী ফকীহ্গণ যে ইমামতির বেতন জায়েয বলেছেন সেটা হল ফরযের ইমামতি । সুন্নাত জামাতের ইমামতি এর অন্তর্ভুক্ত নয় । আর হাফেযদের দেওয়া বিনিময়কে জায়েয করার জন্য এই হিলা অবলম্বন করা যে, শুধু রমযান মাসের জন্য তার উপর দু-এক ওয়াক্ত নামাযের দায়িত্ব দেওয়া হবে-এটা একটা বাহানামাত্র; যা পরিহার করা জরুরি । কারণ এই হিলার যে বিমিনয়টা তাকে ফরযের ইমাতির জন্য দেওয়া হচ্ছে আর তারাবীর খতম সে বিনিময়হীনভাবেই করে দিচ্ছে । কিনা’ আপনার মনকে একটু প্রশ্ন করে দেখুন, যদি ওই হাফেয সাহেব তার দায়িত্বে অর্পিত ফরয নামাযের ইমামতি যথাযথ গুরুত্বের সাথেও আদায় করেন আর খতম তারাবীতে অংশগ্রহণ না করেন তবে কি তাঁকে ওই বিনিময় দেওয়া হবে, যা খতম তারাবী পড়ালে দেওয়া হত ? এ কথা সুস্পষ্ট যে, কখনো তা দেওয়া হবে না । বোঝা গেল, বিনিময়টা মূলত খতম তারাবীর, ফরযের ইমামতির নয় । এ জন্যই আকাবিরের অনেকে এই হিলা প্রত্যাখ্যান করেছেন । আর দলীলের ভিত্তিতেও তাঁদের ফতওয়াই সহীহ । দেখুন: ইমদাদুল ফাতাওয়া ১/৩২২; ইমদাদুল আহকাম ১/৬৬৪ সারকথা হল, কুরআন তেলাওয়াত, বিশেষত যখন তা নামাযে পড়া হয়, একটি খালেস ইবাদত, যা একমাত্র আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির জন্যই হওয়া চাই । তাতে কোনো দুনিয়াবী উদ্দেশ্য শামিল করা গুনাহ । নিচে এ বিষয়ে কিছু হাদীস, আছারের অনুবাদ ও ফিকহের উদ্ধৃতি পেশ করা হল । ১. হযরত আবদুর রহমান ইবনে শিবল রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, তোমরা কুরআন পড় তবে তাতে বাড়াবাড়ি করো না এবং তার প্রতি বিরূপ হয়ো না । কুরআনের বিনিময় ভক্ষণ করো না এবং এর দ্বারা সম্পদ কামনা করো না ।’-মুসনাদে আহমদ ৩/৪২৮; মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বা ৫/২৪০; কিতাবুত তারাবীহ ২. ‘ইমরান ইবনে হোসাইন রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, তোমরা কুরআন পড় এবং আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা কর । তোমাদের পরে এমন জাতি আসবে, যারা কুরআন পড়ে মানুষের কাছে প্রার্থনা করবে ।’-মুসনাদে আহমদ ৪/৪৩৭; জামে তিরমিযী ২/১১৯ ৩. ‘হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মা’কিল রা. থেকে বর্ণিত, তিনি এক রমযান মাসে লোকদের নিয়ে তারাবীহ পড়লেন । এরপর ঈদের দিন উবাইদুল্লাহ ইবনে যিয়াদ রাহ. তাঁর কাছে এক জোড়া কাপড় এবং পাঁচশ দিরহাম পাঠালেন । তখন তিনি কাপড় জোড়া ও দিরহামগুলো এই বলে ফেরত দিলেন যে, আমরা কুরআনের বিনিময় গ্রহণ করি না ।’-মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বা ৫/২৩৭ আরো দেখুন: ফাতাওয়া শামী ৬/৫৭; তানকীহুল ফাতাওয়া হামীদিয়া ২/১৩৭-১৩৮; আলইখতিয়ার লিতা’লীলিল মুখতার ২/৬২; শিফাউল আলীল ওয়াবাল্লুল গালীল (রাসায়েলে ইবনে ইবনে আবেদীন) ১/১৫৪-১৫৫; ইমদাদুল ফাতাওয়া ১/৩১৫-৩১৯ ও ৩২২; রাফেউল ইশকালাত আনহুরমাতিল ইসি-জার আলাত্তাআত, মুফতিয়ে আযম হযরত মাওলানা মুফতী ফয়যুল্লাহ রাহ. সংগ্রহ-http://www.alkawsar.com/section/question-answer?page=365 বিঃ দ্রঃ সমাধানের উপায়ঃ- ¤ মসজিদের ইমাম হিসাবে হাফেজ ও আলেম যোগ্যতাসম্পন্ন ইমাম নিয়োগ দিতে পারেন । ¤ মুয়াজ্জিন হিসাবে একজন হাফেজ নিয়োগ দিতে পারেন । তাহলে প্রতি রমযানে এদের দ্বারাই খতমে তারাবীর নামায পড়ানো যাবে । ¤ মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন কেউ কুরআনে হাফেজ না হলে, রমযান মাসে তারাবীর জন্য হাফেজ নিয়োগ না করে (ইমাম-মুয়াজ্জিন যা জানে তা দ্বারা) তাদের দ্বারাই তারাবীর নামায পড়াতে পারেন । ¤ কোন এতিম খানার হাফেজ দ্বারা খতমে তারাবী পড়াতে পারেন । তবে উক্ত হাফেজকে কোন রকম হাদিয়া নেওয়া বা দেওয়া যাবে না । ¤ এতিম খানা পরিচালকের নিকট তারাবীর বিনিময় না ভাবিয়া প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য বাৎসরিকভাবে প্রতি বছর নির্দিষ্ট অংকের হাদিয়া দিতে পারেন যা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার কাজে ব্যয় করবেন । ¤ পরিচালক সেখান থেকে উক্ত হাফেজকে একটি টাকা এমনকি কোন পোষাক, লেখা পড়ার সামগ্রি কিনে দিতে পারবে না । অর্থাৎ হাফেজকে কোনভাবেই এ টাকার অংশ দেয়া যাবে না । ¤ কোন হাফেজ বিনা মুল্যে স্বেচ্ছায় তারাবী পড়াতে চায় অর্থাৎ যাতায়াত খরচ, খাওয়ার খরচ, জামা কাপর ইত্যাদি কোন খরচই নিবে না, তাহলে পড়ানো যেতে পারে । এভাবে কুরআন-হাদিসের আলোকে সহিহ হতে পারে । এছাড়া সমাধানের আর কোন পদ্ধতি বা নিয়ম অবলম্বন করা যায় কিনা তা আপনারা নিরপেক্ষভাবে সুষ্ঠু শান্ত মস্তিষ্কে চিন্তা করুন । বিষয়টির উত্তর জানা ও সংগ্রহে রাখা খূবই জরুরী এবং আপনার মসজিদের ইমাম সাব, হাফেজ ও আলেম সমাজকে কপি প্রিন্ট করে দিতে পারেন । আল্লাহ আমাদের সকলকে সহিহ দ্বীন বুঝার তাওফিক দিন । আমীন!!
    Sohih Janan
  • Sogood Islam Syeds
    5/28, 7:15pm

    Sogood Islam Syeds

    Shahanaj Amin shared her post to the group: মাসিক আত-তাহরীক.
    Shahanaj Amin
  • Sogood Islam Syeds
    5/28, 7:22pm

    Sogood Islam Syeds

    রাতে অপবিত্র অবস্থায় রোজার নিয়ত করা যাবেকি? _________________________________ রাসুল কখনো কখনো রাতে অপবিত্র অবস্থাতেই রোজার নিয়ত করে নিতেন। বিষয়টির প্রমাণ রাসুলের সহধর্মিণী উম্মুল মোমিনীন আয়েশা রা. বর্ণিত হাদিস রাসুল কখনো কখনো রাতে অপবিত্র অবস্থাতেই রোজার নিয়ত করে নিতেন। বিষয়টির প্রমাণ রাসুলের সহধর্মিণী উম্মুল মোমিনীন আয়েশা রা. বর্ণিত হাদিস— كان النبي صلى الله عليه و سلم يدركه الفجر في رمضان وهو جنب من غير حلم، فيغتسل ويصوم. রমজান মাসে স্বপ্নদোষ ব্যতীতই অপবিত্র অবস্থায় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুবহে অতিক্রম করতেন। অত:পর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন। [বোখারি : ১৮২৯, মুসলিম : ১১০৯।] রাসুলের অপর স্ত্রী উম্মুল মোমিনীন উম্মে সালামা রা. বর্ণনা করেন:— كان يدركه الفجر وهو جنب من أهله ثم يغتسل ويصوم. সহবাসের ফলে না-পাকি অবস্থায় রাসুল সুবহে সাদিক অতিক্রম করতেন, অত:পর গোসল করে রোজা রাখতেন। [বোখারি : ১৯২৬] একই হুকুম-ভুক্ত হায়েজ ও নেফাসগ্রস্ত নারীরা। ফজর হওয়ার পূর্বেই যদি তারা পবিত্র হয়ে যায়, তবে গোসল না করেই নিয়ত করে নিবে।
    জেনে নিন- ইসলামিক প্রশ্ন উত্তর
  • Sogood Islam Syeds
    5/28, 8:34pm

    Sogood Islam Syeds

    তাক্বদীর কি? “এই বিশ্বজগতে যা কিছু ঘটে তার সবকিছু আল্লাহর ‘তাক্বদীর’ (ভাগ্যের নির্ধারণ) অনুযায়ী ঘটে থাকে। সুতরাং, যে তাক্বদীরের প্রতি বিশ্বাস রাখে তাকে এটা অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে যেঃ (ক) এই বিশ্বজগতে যা কিছু ঘটে তার সমস্ত কিছু আল্লাহ পূর্ব থেকেই জানতেন, (খ) যা কিছু ঘটবে তা ঘটার পূর্বেই আল্লাহ ‘লাওহে মাহফুজে’ লিখে রেখেছেন, (গ) যা কিছু ঘটবে তা ঘটার জন্যে আল্লাহ ইচ্ছা করেছেন এবং (ঘ) যা কিছু ঘটবে তা আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন।” উৎসঃ IslamQA.
    Shahab Babu
  • May 28
  • Sogood Islam Syeds
    5/28, 11:51pm

    Sogood Islam Syeds

    প্রশ্ন : রাফেউল ইয়াদেন এর ফযীলত কতটুক? অনেকে বলে থেকে এটা তো একটু সুন্নাহ মাএ। উওর : রাসুল (সঃ) বলেছেন, নামায পড় সেভাবে, যেভাবে অামাকে পড়তে দেখেছ অতএব নামায সংক্রান্ত মাসাঅালায় কোন সহীহ হাদিস পেলে নির্দিধ্বায় অনুসরন করতে হবে। নামাযের মত একটা অত্যান্ত শ্রেষ্ট অামলে যেন কোন ছোট বড় কিছুই বাদ না যায়,সেইটা করতে হবে। ফযীলত সমুহ : রাফেউল ইয়াদেন সুন্নাহ টা অামাদের সমাজে অনেকটা বিলুপ্ত প্রায় শুধুমাএ গৌড়ামির কারনে।অার অাপনি যদি তা পালন করেন,সংরক্ষন করেন,তাহলে… রাসুল (সঃ) বলেন, যে অামার মৃত্যুর পর একটি হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ কে জাগ্রত করবে বা ফিরিয়ে সংরক্ষন করবে, সে সাহাবিদের জমানার ৫০ জন শহীদের মর্যাদার সওয়াব লাভ করবে। (তাবারানি:১৮২,সিলসিলা সহীহ :৮৯২) উকবা বিন অামির জুহানি (রাঃ) বলেন, কেউ যদি রুকুতে যেতে কিংবা উটতে রাফেউল ইয়াদেন করে সে প্রত্যেক ইশারায় ১০ টি করে নেকী পাবে। (কানযুল উম্মাল,৭ম খণ্ড, পৃষ্টা ৩৩৯-৩৮০) অাল্লামা নাসিরুদ্দিন অালবানি তার সিফাতুত সালাতুত নাবি বইয়ের রাফেউল ইয়াদেন অধ্যায়ে ‘হাদিসে কুদসি’ থেকে একটি হাদিস বলেন, রাসুল (সঃ) বলেছেন, মহান অাল্লাহ বলেন, অামার কোন বান্দা যদি কোন একটা সৎ কাজ করতে চায় এবং তা করে ফেলে,অামি অাল্লাহ তাকে ১০ থেকে ৭০০ নেকী দান করি। রাসুল (সঃ) অারো বলেন,অাল্লাহ চাইলে সেইটা দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিতে পারেন। (বুখারি ৯৬৩ পৃষ্টা) #অার অাল্লামা অালবানি তার বইয়ের ১২৮ পৃষ্টা তে হাদিস টি অানার পর,তিনি দাবি করেছেন, কেউ যদি রাফেউল ইয়াদেন করে সে প্রতিবারে কমপক্ষে ৭০০ নেকি পাবে। __________♥__________ সংক্ষেপে: ১. ৫০ জন শহীদের সওয়াব। ২.প্রত্যেক বারে ৭০০ কমপক্ষে নেকী। ৩. রাসুলের সুন্নাহ অনুসরন মানে অাল্লাহ কে ভালবাসা। (ইমরান:৩১) +++++++++ ২নং এর ব্যাখ্যা: অাপনি যদি দুই রাকাঅাত নামায পড়েন তাতে ৫ বার,চার রাকাঅাত পড়লে ১০ বার।অাপনি একদিনে শুধুই ফরয পড়লে তাহলে কয়বার রাফেউল ইয়াদেন করবেন??তার সাথে সুন্নাহ কিংবা নফল পড়লে অার কত বার হয়? এবার অাপনি প্রত্যেক রাফেউল ইয়াদেন X ৭০০ নেকি গুণ করুন। অার চিন্তা করুন, এভাবে অাপনি প্রতিদিন কত নেকী থেকে বন্চিত হচ্ছেন??? একবছরে কত নেকী থেকে বন্চিত হচ্ছেন???? অাপনার পুরো হায়াত জুড়ে কত অগনিত সওয়াব থেকে বন্চিত হচ্ছেন????????? অাজই ফিরে অাসুন কুরঅান ও সুন্নাহ এর অনুসরনে….. (শেয়ার করুন)
    ইসলামিক দাওয়াহ
  • Sogood Islam Syeds
    5/28, 11:58pm

    Sogood Islam Syeds

    গ্রন্থঃ ইসলাম কিউ এ ফতোয়া সমগ্র | রচনা/অনুবাদ/ সংকলনঃ শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল-মুনাজ্জিদ আমাদের স্থানীয় ইমাম মানুষকে কতিপয় বিদআতের দিকে আহ্বান করেন। কিছু দ্বীনদার ভাই দলিল-প্রমাণসহ এ ব্যাপারে তাঁকে সাবধান করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তিনি এ বিদআতগুলোর পক্ষে অটল অবস্থানে রয়েছেন। যদি জানা যায় যে, আজকের খোতবায় খতীবসাহেব বিদআতের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করবেন যেমন- মিলাদ, শবে বরাত, ইত্যাদি সেক্ষেত্রে আপনারা কি এ পরামর্শ দিবেন যে, সে ব্যক্তি জুমার খোতবা শুনতে যাবে না। কেউ যদি মসজিদে গিয়ে শুনতে পায় যে, খতীবসাহেব বিদআতের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করছেন তখন সে ব্যক্তির করণীয় কী? সে কী খোতবার মাঝখানে উঠে বাড়ীতে এসে যোহরের নামায আদায় করবে? অন্যথায় সে কী করবে? এ ধরণের খোতবা শুনায় হাজির থাকলে ব্যক্তি কি গুনাহগার হবে? কারণ কিছু ভাই নসিহত করার পরও খতীবসাহেব তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির উপর অটল অবস্থানে রয়েছেন। কেউ যদি খোতবার মধ্যে দুর্বল ও বানোয়াট হাদিস উল্লেখ করে তার ক্ষেত্রেও কি একই হুকুম প্রযোজ্য? আল্লাহ আপনাদেরকে উত্তম প্রতিদান দিন। আলহামদুলিল্লাহ। এক: যে ব্যক্তির এলাকার মসজিদে কোন বিদআতপন্থী ইমাম ইমামতি করেন: তার বিদআত হয়তো কুফরি বিদআত হবে অথবা সাধারণ কোন বিদআত হবে। যদি কুফরি বিদআত হয় তাহলে ঐ ইমামের পিছনে সাধারণ নামায কিংবা জুমার নামায কোনটা পড়া জায়েয হবে না। আর যদি ইসলাম থেকে খারিজ করে দেয় এমন কোন বিদআত না হয় তাহলে অগ্রগণ্য মতানুযায়ী- তার পিছনে জুমা পড়া ও জামাতে নামায পড়া জায়েয। এ হুকুমটি এত বেশি প্রচার পেয়েছে যে, এটা এখন সুন্নাহ অনুসারীদের নিদর্শনে পরিণত হয়েছে। বিশুদ্ধ মতানুযায়ী, যদি কেউ এমন ইমামের পিছনে নামায আদায় করে ফেলে তাহলে তাকে সে নামায শোধরাতে হবে না। এ বিষয়ক নীতি হচ্ছে- “যে ব্যক্তির নিজের নামায শুদ্ধ; সে ব্যক্তির ইমামতিও শুদ্ধ”। আর যদি সেই বিদআতী ইমামকে বাদ দিয়ে অন্য কোন ইমামের পিছনে নামায পড়ার সুযোগ থাকে তাহলে সেটাই করতে হবে। বিশেষতঃ আলেম শ্রেণী ও তালিবুল ইলমকে সেটা করতে হবে। তা করা সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ তুল্য। কিন্তু এ ইমামের পিছনে নামায বর্জন করতে গিয়ে ঘরে নামায পড়া জামাতযুক্ত নামাযের ক্ষেত্রে জায়েয নেই। সুতরাং জুমার ক্ষেত্রে জায়েয না হওয়া আরও বেশি যুক্তিযুক্ত। শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া বলেন: যদি মোক্তাদি জানে যে, ইমাম বিদআতি, বিদআতের দিকে আহ্বান করে অথবা এমন ফাসেক (কবিরা-গুনাহগার) যার মধ্যে গুনাহর আলামত প্রকাশ্য এবং সেই-ই নির্ধারিত ইমাম; নামায পড়লে তার পিছনেই পড়তে হবে যেমন- জুমার ইমাম, ঈদের ইমাম, আরাফাতে হজ্জের নামাযের ইমাম ইত্যাদি এক্ষেত্রে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল আলেমের অভিমত হচ্ছে- মোক্তাদিকে তার পিছনেই নামায আদায় করতে হবে। এটি ইমাম আহমাদ, ইমাম শাফেয়ী, ইমাম আবু হানিফা ও অন্যান্য আলেমের অভিমত। এ কারণে আলেমগণ আকিদার কিতাবে লিখেন যে, ইমাম নেককার হোক কিংবা পাপাচারী হোক তিনি ইমামের পিছনে জুমার নামায ও ঈদের নামায আদায় করেন। অনুরূপভাবে এলাকাতে যদি শুধু একজন ইমাম থাকে তাহলে তার পিছনেই জামাতে নামাযগুলো আদায় করতে হবে। কেননা জামাতে নামায আদায় করা, একাকী নামায আদায় করার চেয়ে উত্তম; এমনকি ইমাম ফাসেক (কবিরা- গুনাতেলিপ্ত) হলেও। এটি অধিকাংশ আলেম: আহমাদ ইবনে হাম্বল, শাফেয়ী ও অন্যান্যদের অভিমত। বরং ইমাম আহমাদের প্রকাশ্য অভিমত হচ্ছে- জামাতে নামায আদায় করা ফরজে আইন। ইমাম ফাসেক হওয়ার কারণে যে ব্যক্তি জুমার নামায ও জামাতে নামায পড়ে না সে ইমাম আহমাদ ও আহলে সুন্নাহর অন্যান্য ইমামের মতে- বিদআতী; আব্দুস, ইবনে মালেক ও আত্তারের ‘রিসালা’ তে এভাবে এসেছে। সঠিক মতানুযায়ী: সে ব্যক্তি নামায পড়ে নিবে; তাকে এ নামাযকে পুনরায় আদায় করতে হবে না। কারণ সাহাবায়ে কেরাম জুমার নামায, জামাতে নামায ফাসেক ইমামদের পিছনেও আদায় করেছেন; তাঁরা তাদের পিছনে আদায়কৃত নামায পুনরায় আদায় করতেন না। যেমন- ইবনে উমর হাজ্জাজের পিছনে নামায পড়তেন। ইবনে মাসউদ ও অন্যান্য সাহাবী ওয়ালিদ ইবনে উকবার পিছনে নামায পড়তেন। ওয়ালিদ বিন উকবা মদ্যপ ছিল। একবার ফজরের নামায চার রাকাত পড়িয়েছে। এরপর বলল: আরো বাড়াব নাকি? তখন ইবনে মাসউদ বললেন: আজ তো আপনি বেশিই পড়িয়েছেন! এরপর তাঁরা তার বিরুদ্ধে ওসমান (রাঃ) এর নিকট অভিযোগ করেন। সহিহ বুখারিতে এসেছে- ওসমান (রাঃ) যখন অবরুদ্ধ হলেন এবং জনৈক লোক এগিয়ে গিয়ে নামাযের ইমামতি করল তখন এক ব্যক্তি ওসমান (রাঃ) কে প্রশ্ন করল: নিঃসন্দেহে আপনি সর্বসাধারণের ইমাম। আর যে ব্যক্তি এগিয়ে এসে ইমামতি করল সে ফিতনার ইমাম। তখন ওসমান (রাঃ) বললেন: ভাতিস্পুত্র শুন, নামায হচ্ছে- ব্যক্তির সবচেয়ে উত্তম কাজ। যদি লোকেরা ঠিকভাবে নামায আদায় করে তাদের সাথে ভাল ব্যবহার কর। আর যদি তারা মন্দ আচরণ করে তাদের সে মন্দ আচরণকে এড়িয়ে চল। এ ধরণের বাণী অনেক আছে। ফাসেক বা বিদআতীর নামায সহিহ। অতএব, মোক্তাদি যদি তার পিছনে নামায পড়ে তাহলে তার নামায বাতিল হবে না। তবে, যারা বিদআতির পিছনে নামায পড়াকে মাকরুহ বলেছেন তারা দিক থেকে বলেছেন: সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ ওয়াজিব। যে ব্যক্তি প্রকাশ্য বিদআত করে তাকে ইমাম হিসেবে নির্ধারণ না করাটা সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধের অন্তর্গত। কেননা সে শাস্তিযোগ্য যতক্ষণ না তওবা করে। যদি তাকে এড়িয়ে চলা যায় যাতে করে সে তওবা করে সেটা— ভাল। যদি কোন কোন লোক তার পিছনে নামায পড়া ছেড়ে দিলে, অন্যেরা নামায পড়লে সেটা তার উপরে প্রভাব ফেলে যাতে করে সে তওবা করে অথবা বরখাস্ত হয় অথবা মানুষ এ জাতীয় গুনাহ থেকে দূরে সরে আসে এবং সে মোক্তাদির জুমা বা জামাত ছুটে না যায় যদি এমন হয় তাহলে এ ধরণের লোকের তার পিছনে নামায বর্জন করাতে কল্যাণ আছে। পক্ষান্তরে মোক্তাদির যদি জুমা ও জামাত ছুটে যাওয়ার আশংকা থাকে তাহলে তার পিছনে নামায বর্জন করাটা বিদআত এবং সাহাবায়ে কেরামের আমলের পরিপন্থী।[আল-ফা তাওয়া আল-কুবরা (২/৩০৭-৩০৮)]। দুই: ইতিপূর্বের আলোচনা থেকে জানা যায় যে, যদি কেউ কোন খতীবকে বিদআতের দিকে ডাকে (যেমন যে বিদআতগুলোর কথা আপনি প্রশ্নে উল্লেখ করেছেন) অথবা বিদআতের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করে অথবা দুর্বল ও বানোয়াট হাদিসগুলো উদ্ধৃত করতে শুনে তদুপরি তার জন্য মসজিদ ত্যাগ করা, খোতবা না- শুনা জায়েয হবে না। তবে যদি প্রভাবশালী আলেম হন এবং তিনি অন্য কোন খতীবের পিছনে নামায পড়বেন তাছাড়া ইতিপূর্বে ঐ খতীবকে নসিহত করেছেন, সত্যকে তার নিকট সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন- তিনি তার পিছনে নামায বর্জন করতে পারেন। যদি তিনি ইতিপূর্বে তাকে নসিহত না করে থাকেন অথবা অন্য কোন মসজিদে তার নামায পড়ার সুযোগ না থাকে তাহলে অগ্রগণ্য মত হচ্ছে- খোতবাকালে মসজিদ থেকে বেরিয়ে যাওয়া জায়েয হবে না। তবে যদি এমন হয় যে, এ খতীবের পিছনে নামায পড়া জায়েয হবে না এমন পর্যায়ের তাহলে বেরিয়ে যেতে পারেন। 6366 নং প্রশ্নের জবাবে আমরা উল্লেখ করেছি জুমার নামাযের খতীব যদি কোন বিভ্রান্তির কথা বলে অথবা কোন বিদআত সাব্যস্ত করে অথবা শিরকের দিকে আহ্বান করে আমরা সে প্রশ্নের জবাবে খোতবার মাঝখানে প্রতিবাদ করাকে বৈধ উল্লেখ করেছি। তবে শর্ত হচ্ছে- মানুষের মাঝে বিশৃংখলা সৃষ্টি হতে পারবে না এবং জুমার নামায নষ্ট করা যাবে না। যে ব্যক্তি প্রতিবাদ করতে চায় তিনি খোতবা শেষে দাঁড়িয়ে মানুষের কাছে খতীবের ভুল তুলে ধরবেন। যে ব্যক্তি প্রতিবাদ করতে চায় তার উচিত সত্য তুলে ধরা ও সে খতীবের সমালোচনার ক্ষেত্রে কোমল হওয়া। যাতে করে মন্দের প্রতিবাদ ফলপ্রসু হয়। স্থায়ী কমিটির আলেমগণকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে- যে খতীব তার খোতবার মাঝে অথবা গোটা খোতবা জুড়ে শুধু ইসরাইলী বর্ণনা ও দুর্বল হাদিস উল্লেখ করে এর মাধ্যমে মানুষকে চমকে দিতে চান ইসলামে এর হুকুম কী? তাঁরা জবাবে বলেন: যদি আপনি সুনিশ্চিতভাবে (ইয়াকীনসহ) জানেন যে, খতীব খোতবার মধ্যে যে ইসরাইলী বর্ণনাগুলো উল্লেখ করেছেন সেগুলো ভিত্তিহীন অথবা হাদিসগুলো দুর্বল তাহলে আপনি তাকে নসিহত করুন যেন অন্য সহিহ হাদিসগুলো উল্লেখ করে, আয়াতে কারীমাগুলো নিয়ে আসে। আর যে ব্যাপারে নিশ্চিতভাবে জানেন না সেটাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দিকে সম্পৃক্ত করবে না। যেহেতু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “দ্বীন হচ্ছে- নসিহত”। হাদিসটি ইমাম মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তবে নসিহত হতে হবে উত্তম পন্থায়; কর্কশ ও কঠিন আচরণের মাধ্যমে নয়। আল্লাহ আপনাকে তাওফিক দিন ও আপনাকে কল্যাণের ধারক বানান। শাইখ আব্দুল আযিয বিন বায, শাইখ আব্দুর রাজ্জাক আফিফি, শাইখ আব্দুল্লাহ গাদইয়ান। ফাতাওয়াল লাজনাহ দায়িমা (৮/২২৯-২৩০) সার কথা হচ্ছে- যদি আপনি এমন কোন মসজিদে যেতে পারেন যেখানে বিদআত নেই, যে মসজিদের খতীব বিদআতের দিকে আহ্বান করে না সেটা ভাল। যদি না যেতে পারেন অথবা আপনাদের নিকটে অন্য কোন মসজিদ না থাকে তাহলে উল্লেখিত কারণে জামাত ও জুমা ত্যাগ করা আপনাদের জন্য জায়েয হবে না। আপনাদের কর্তব্য হচ্ছে- নসিহত করা ও আল্লাহর দিকে আহ্বান করা। দাওয়াতের ভাষা যেন কোমল হয় এবং পদ্ধতি যেন সুন্দর হয় সে ব্যাপারে সচেষ্ট থাকা। আল্লাহই ভাল জানেন।
    ইসলামিক দাওয়াহ
  • Sogood Islam Syeds
    5/29, 12:04am

    Sogood Islam Syeds

    ০১-প্রশ্ন: আল্লাহ কোথায়? উত্তর: মহান আল্লাহ স্ব-সত্তায় সপ্ত আসমানের উপর অবস্থিত মহান ‘আরশের উপরে আছেন। দলীল: কুরআন, সুন্নাহ ও প্রসিদ্ধ চার ইমামের উক্তি- মহান আল্লাহর বাণী: “রহমান (পরম দয়াময় আল্লাহ) ‘‘আরশে সমুন্নত।” (সূরা ত্বা-হা: ২০: ৫) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বানীঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন দাসীকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন: “আল্লাহ কোথায়? দাসী বলল: আসমানের উপরে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: আমি কে? দাসী বলল: আপনি আল্লাহর রাসূল। অতঃপর তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: একে আজাদ (মুক্ত) করে দাও, কেননা সে একজন মুমিনা নারী।” [সহীহ মুসলিম: ১ম খণ্ড ২০৩ পৃষ্ঠা; {বাংলা অনুবাদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন হাদিস/১০৮২; (বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার) হাদিস/১০৮৮; (হাদীস একাডেমী) হাদিস/১০৮৬}] ইমাম আবু হানীফাহ (রহিমাহুল্লাহ)-এর উক্তি: “যে ব্যক্তি বলবে, আমি জানি না, আমার রব আসমানে না জমিনে – সে কাফির। অনুরূপ (সেও কাফির) যে বলবে, তিনি আরশে আছেন, তবে আমি জানি না, ‘আরশ আসমানে না জমিনে। (আল ফিকহুল আকবার: ১/১৩৫) ইমাম মালিক (রহিমাহুল্লাহ)-এর উক্তি: ইমাম মালিক (রহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট একদা এক ব্যক্তি এসে জিজ্ঞেস করল, “হে আবু ‘আব্দুল্লাহ! (মহান আল্লাহ বলেন) ‘‘রহমান (পরম দয়াময় আল্লাহ) ‘আরশের সমুন্নত হলেন” (সূরা ত্বাহা: ২০:৫)। এই সমুন্নত হওয়ার রূপ ও ধরণ কেমন? প্রশ্নটি শোনামাত্র ইমাম মালিক (রহিমাহুল্লাহ) মাথা নীচু করলেন, এমনকি তিনি ঘর্মাক্ত হলেন: অতঃপর তিনি বললেন: ইসতিওয়া শব্দটির অর্থ (সমুন্নত হওয়া) সকলের জানা, কিন্তু এর ধরণ বা রূপ অজানা, এর উপর ঈমান আনা ওয়াজিব এবং এর ধরণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা বিদ‘আত। আর আমি তোমাকে বিদ‘আতী ছাড়া অন্য কিছু মনে করি না। অতঃপর তিনি (রহিমাহুল্লাহ) তাকে মজলিস থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। (ইতিকাদ লিল বাইহাকী ১/৬৭, হাশিয়াতুস সিন্ধী ‘আলা ইবনি মাজাহ ১/১৬৭, মিরকাতুল মাফাতীহ ২/১৭, ১৩/৮৯)। ইমাম শাফি‘ঈ (রহিমাহুল্লাহ)-এর উক্তি: আর নিশ্চয় আল্লাহ আসমানের উপরে স্বীয় ‘আরশে সমুন্নত। (তাহযীবু সুনানে আবী দাউদ ২/৪০৬) ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বাল (রহিমাহুল্লাহ)-এর উক্তি: ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বাল (রহিমাহুল্লাহ)-কে মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম জিজ্ঞেস করলেন; “এ মর্মে ইবনুল মুবারাক (রহিমাহুল্লাহ)-কে জিজ্ঞেস করা হল, ‘‘আমাদের রবের পরিচয় কীভাবে জানবো? উত্তরে তিনি বললেন, ‘‘সাত আসমানের উপর ‘আরশে”। (এ ব্যাপারে আপনার মতামত কী?) ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ) বললেন, ‘‘বিষয়টি আমাদের নিকট এ রকমই”।(তাহযীবু সুনানে আবী দাউদ ২/৪০৬) উল্লিখিত দলীল-প্রমাণাদি দ্বারা মহান আল্লাহ তা‘আলার পরিচয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। ০২.প্রশ্ন: মহান আল্লাহ ‘আরশে আযীমের উপরে আছেন-এটা আল-কুরআনের কোন সূরায় বলা হয়েছে? উত্তর: এ ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে সুস্পষ্ট সাতটি আয়াত রয়েছে: ১. সূরা আল ‘আরাফ ৭:৫৪ ২. সূরা ইউনুস ১০:৩ ৩. সূরা আর্ রা‘দ ১৩:২ ৪. সূরা ত্ব-হা- ২০:৫ ৫. সূরা আল ফুরকান ২৫:৫৯ ৬. সূরা আস্ সাজদাহ্ ৩২:৪ ৭. সূরা আল হাদীদ ৫৭:৪
    জেনে নিন- ইসলামিক প্রশ্ন উত্তর
  • May 29
  • Sogood Islam Syeds
    5/29, 9:44am

    Sogood Islam Syeds

    Attachment Unavailable
    This attachment may have been removed or the person who shared it may not have permission to share it with you.
  • Sogood Islam Syeds
    5/29, 10:23am

    Sogood Islam Syeds

    Sadda Hussain added a new photo.
    ” ধৰ্মৰ ক্ষেত্ৰত জবৰদস্থি নাই , সত্যপথ নিশ্চয়ে ভ্ৰান্তপথৰ পৰা সুস্পষ্ট কৰা হৈ গৈছে …….” ( কুৰআন 2: 256 ) ” আৰু সিহঁতে আল্লাহক এৰি যিবিলাকৰ উপাসনা কৰে সেইবিলাকক গালি নিদিবা , পাচে সিহঁতেও সীমালঙ্গন কৰি জ্ঞানহীনতাৰ কাৰণে আল্লাহক গালি পাৰে ….” ( কুৰআন 6: 108 ) “…. তোমালোকৰ কাৰণে তোমালোকৰ ধৰ্ম আৰু মোৰ কাৰণে মোৰ ধৰ্ম ” ( কুৰআন 109 :6 ) ” যি সকলে তোমালোকৰ ধৰ্মৰ বাবে তোমালোকৰ বিৰুদ্ধে যুদ্ধ কৰা নাই , আৰু যি সকলে তোমালোকক ঘৰ বাৰীৰ পৰা খেদি পঠিওৱা নাই , তেওঁলোকৰ প্ৰতি সদয় হোৱা আৰু ন্যায় ব্যৱহাৰ কৰাটো আল্লাহে তোমালোকক নিষেধ কৰা নাই , নিশ্চয় যি সকলে ন্যায় ব্যৱহাৰ কৰে আল্লাহে তেওঁলোকক ভাল পায় ” ( কুৰআন 60 :8 ) সকলো ধর্মৰ মানুহৰ প্ৰতি ইছলামে সহনশীলতাৰ কথা কয়, সহমর্মিতাৰ আৰু ন্যায়বিচাৰৰ কথা কয়। কাৰণ এইটো মানুহৰ বনোৱা ধর্ম নহয়, এইটো আহিছে আল্লাহ্ ছুবহানাহু ওয়া তা’আলাৰ ওচৰৰ পৰা, যিজন চবতকৈ বেছি ন্যায়বিচাৰক। এজন মু’মীনৰ ওচৰত এজন মুছলিম যিমানখিনি নিৰাপদ, এজন অমুছলিমও সিমানখিনিয়েই নিৰাপদ – যেনেকৈ ৰাছূলুল্লাহ(ছাঃ)য়ে শিকাই দি গৈছে। ৰাছূলুল্লাহ(ছাঃ) য়ে কৈছেঃ সাবধান! যি ব্যক্তি কোনও মুয়াহিদৰ (মুয়াহিদঃ মুছলিম ৰাষ্ট্ৰত ন্যায়সঙ্গতভাবে বসবাস কৰা অমুছলিম) উপৰত অত্যাচাৰ কৰিব অথবা তাৰ কোনো অধিকাৰ উলংঘা কৰিব অথবা তাক অসহনীয় যন্ত্ৰণা দিব অথবা তাৰ অনুমতি অবিহনে তাৰ কোনো কিবা লৈ ল’ব, সি জানি ৰাখক যে বিচাৰ দিবসত মই তাৰ (অত্যাচাৰী ব্যক্তিৰ) বিৰুদ্ধে যুদ্ধ কৰিম। – (আল্ হাদিছ্) (চুনান আবু দাউদ, ভলিউম ৩, হাদিছ ৩০৫২)
    Sadda Hussain
  • May 29
  • Sogood Islam Syeds
    5/29, 1:54pm

    Sogood Islam Syeds

    Mosharaf Hossain Ujjol added a new photo.
    ২৪ ঘন্টা অনবরত গোনাহ হতেই থাকে যে পাপ কাজ করলে। অর্থাৎ গোনাহ-এ জারিয়া। – ১. দাঁড়ি না রাখলে।— আপনি এখন শেভ করনেম, কিন্তু পাপ শুধু এখন হল তাই নয়। বরং যতক্ষণ পর্যন্ত দাঁড়ি লম্বা না করবেন তখন পর্যন্ত আপনার পাপ হতেই থাকবে। ততখন পর্যন্ত আপনি পাপী, আপনি কাবিরা গোনাহ-তে লিপ্ত। – ২. কোন নারী নিজের বেপর্দা ছবি আপলোড করলে।। এছাড়া ছেলেদের মধ্যে-ও অনেকে বা অশ্লীল ছবি বা ভিডিও বা মিউজিক আপলোড বা পোস্ট করে থাকে। তাদের এই আপলোডকৃত ছবি যত দিন যত মানুষ দেখবে তত দিন তত মানুষের পাপ তার ঘাড়ে চাপতে থাকবে। এমনকি সে যদি এই ছবি আপলোড করে মরেও যায়, তবুও এই ছবি যতদিন মানুষ দেখতে থাকবে ততদিন তার কবরে পাপ যেতেই থাকবে। এর নাম গোনহ-এ জারিয়া। অনন্তকালের পাপ।
    Mosharaf Hossain Ujjol
  • May 29
  • Sogood Islam Syeds
    5/29, 7:48pm

    Sogood Islam Syeds

    Sadda Hussain added a new photo.
    ” আৰু তেৱেঁই দুখন সাগৰ প্ৰবাহিত কৰিছে ; এখনৰ পানী মধুৰ , তৃষ্ণা নিবাৰণ কৰিব পৰা , আৰু সিখনৰ পানী লোনা ; বেজবেজীয়া আৰু দুয়োৰ মাজতে তেওঁ স্থাপন কৰিছে অন্তৰায় আৰু অভেদ্ৰ অৱৰোধ ” ( কুৰআন 25: 53 )
    Sadda Hussain
  • Sogood Islam Syeds
    5/29, 7:50pm

    Sogood Islam Syeds

    —ছালাতের মাসায়েল সমুহ— (কুরঅান ও সহীহ হাদিস অনুসরনে) ================================ ছালাতের রুকন সমুহ: রুকন অর্থ স্তম্ভ। একটি অপরিহার্য বিষয়।ইচ্ছেকৃতভাবে বা ভুল করে ছুটে গেলেও সালাত বাতিল বা নষ্ট হয়ে গেছে। সালাতে রুকন ৭ টি। নিম্নরুপ: ১. কিয়াম বা দাড়ানো : তোমরা তোমার প্রভুর জন্য একনিষ্ঠচিক্তে দাড়িয়ে যাও। (বাকারা :২৩৮) ২.তাকবীরে তাহরীমা: অর্থাৎ অাল্লাহু অাকবর বলে কাধ বা কান বরাবর হাত উঠানো। রাসুল (সঃ) বলেন, ছালাতের জন্য সবকিছু হারাম হয় তাকবিরের মাধ্যমে, সবকিছু হালাল হয় সালামের মাধ্যমে। (অাবু দাউদ,তিরমিযি, মিশকাত হা/৩১২) ৩.সুরা ফাতিহা পাঠ করা। রাসুল (সঃ) বলেন, ঐ ব্যাক্তির সালাত সিদ্ধ হয় না,যে সালাত সুরা ফাতিহা পড়া হয় না। (মুক্তাফাক অালাইহে,মিশকাত হা/৮২২) ৪.রুকু করা। অাল্লাহ বলেন,হে মুমিনগন! তোমরা রুকু সিজদাহ করা। (হজ্ব :৭৭) ৫. সিজদাহ করা। অাল্লাহ বলেন,হে ঈমানদারগন তোমরা রুকু, সিজদাহ কর। (হজ্ব:৭৭) ৬. তা’দীলে অারকান বা ধীরেসুস্থে সালাত অাদায় করা। (দলিল: মুক্তাফাক অালাইহে,মিশকাত হা/৭৯০ হাদিস টি) ৭.শেষ বৈঠক। (বুখারি,মিশকাত হা/৯৪৮) ================================ ছালাতের ওয়াজিবসমুহ: রুকনের পর ওয়াজিবের স্হান।ইচ্ছেকৃতভাবে ভুল করলে সালাত বাতিল,ভুল করে বাদ গেলে সহো সিজদাহ দিতে হয়। ওয়াজিব ৮টি। ১.তাকবিরে তাহরীমা ব্যাতিত অন্য সকল তাকবীর। (বুখারি, মুসলিম,মিশকাত হা/৭৯৯,৮০১) ২.রুকুতে তাসবিহ পড়া।কমপক্ষে “সুবাহানা রাব্বিয়াল অাযীম” (নাসাঈ, অাবু দাউদ,তিরমিযি মিশকাত হা/৮৮১) ৩.ক্বাওমার সময় “ছামিওল্লাহ হুলিমান হামিদাহ” বলা। (বুখারি, মুসলিম,মিশকাত হা/৮৭০,৭৪,৭৫,৭৭) ৪.ক্বওমার সময় “রব্বানা লাকাল হামদ অথবা রব্বানা লাকাল হামদ,হামদান কাসিরান ত্বাইয়েবান মুবাররকান ফীহি ” (বুখারি, মিশকাত হা/৭৩২-৩৫,৭৩৮) ৫.সিজদাহ গিয়ে তাসবিহ পড়া। কমপক্ষে ‘সুবাহানা রাব্বিয়াল অালা’ পড়া। (নাসাঈ, অাবু দাউদ,তিরমিযি, মিশকাত হা/৮৮১) ৬.দুই সিজদাহ এর মাঝখানে স্হির হয়ে বসা ও দোঅা পাঠ করা।কমপক্ষে ‘রব্বিগফীরলি ২ বার” পাঠ করা। (ইবনু মাজাহ, হা/৮৯৭,অাবু দাউদ হা/৮৫০) অথবা, “অাল্লাহুম্মাগফিরলী ওয়ারহামনী ওয়াজবুরনী ওয়াহদ্বিনী ওঅা ফিনী ওয়ারযুকনী” (তিরমিযি, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৯০০) ৭.প্রথম বৈঠকে বসা ও তাশাহুদ পাঠ করা। (মুক্তাফাক অালাইহে,মিশকাত হা/৯০৯) ৮.সালামের মাধ্যমে ছালাত শেষ করা। (অাবু দাউদ,তিরবানি, মিশকাত হা/৩১২) ================================ ছালাত নষ্টের কারন সমুহ: ১.ছালাতরত অবস্হায় কোন কিছু খাওয়া বা পান করা। ২.সালাতের স্বার্থ ব্যতিরেক অন্য কারনে ইচ্ছেকৃতভাবে কথা বলা। ৩.ইচ্ছেকৃতভাবে বাহুল্য কাজ বা ‘অামলে কাছীর’ করা। যা দেখলে মনে হয় সে সালাতের মধ্যে নেই। ৪.ইচ্ছেকৃতভাবে বা ভুলবশত কোন রুকন ছুটে গেলে। ৫. সালাতের মধ্যে অধিক হাস্য করা। (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/২০৫ পৃঃ) ================================ ওযু ও প্রবিএতা সংক্রান্ত কিছু মাছায়েল: ১.ওযুতে অঙ্গগুলি এক,দুই, বা তিনবার করে ধৌত করা যাবে। রাসুল (সঃ) তিনবার করেই বেশি ধৌত করকেন। (মুক্তাফাক অালাইহে,মুসলিম,মিশকাত হা/২৮৭) ২.ওযুর মধ্যে তারতীব বা ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি। (মায়েদা :০৬) ৩.ওযুতে অঙ্গগুলি ডান দিক থেকে ধৌত করা সুন্নত। (অাহমদ,মুসলিম,মিশকাত হা/৪০০,৪০১) ৪.মুখে ওযুর নিয়ত পাঠ করার কোন দলিল নেই,প্রত্যেক অঙ্গ ধৌত করতে গিয়ে দোয়া পড়ার হাদিস মওযু বা জাল। (তাযকিরাতুল মাওযুঅাত,পৃষ্টা :৩২) ৫.গর্দান মাসাহ করার কোন বিশুদ্ধ প্রমান নেই।ইমাম নববী এটাকে বিদাঅাত বলেছেন। (নায়লুল অাওত্বার ১/২৪৫-৪৭) ৬.ওযুর অঙ্গে যখমপটৃি বাধা থাকলে, তাতে পানি ভাজলে রোগ বৃদ্ধির অাশংকা থাকলে তার উপর দিয়ে ভিজা হাতে মাসাহ করবে। (ছহীহ ইবনু খুজাইয়ামা হা/২৭৩) ৭.হালাল পশুর মলমুএ পাক। অতএব এসব পোষাকে লাগলেও নাপাক হবেনা। (মুক্তাফাক অালাইহে,মিশকাত হা/৩৫৩৯) ৮.দুগ্ধপোষ্য কন্যা শিশুর পেশাব গায়ে লাগলে ঐ স্হানটুকু ধুয়ে নেবে,পুএ শিশু হলে পানি ছিটিয়ে দিবে। (অাবু দাউদ,নাসাঈ, মিশকাত হা/৫০১-০২) ৯.বীর্য ও তার অাগে পিছে সর্দির ন্যায় নির্গত অাঠালো বস্তুকে যথাক্রমে মনী,মযী,অদি বলে। উক্তোজনাবশত বীর্যপাতে গোসল ফরয।বাকী দুটোতে কেবল অঙ্গ ধুতে হয় ও অযু করতে হয়। কাপড়ে লাগলে ঐ স্হানটুকু ধুবে বা পানি ছিটিয়ে দিবে। অার শুখনো হলে নখ দিয়ে খুটে ফেলবে। (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/২০-২১) ১০.ফরয গোসলের পুর্বে নাপাক অবস্হায় কোরঅান স্পর্শ করা যাবেনা, তবে মুখে কুরঅান পাঠ কিংবা মসজিদে প্রবেশ জায়েজ অাছে। তবে সাধারন নাপাক অবস্হায় কুরঅান স্পর্শ বা বহন করা জায়েজ অাছে। (ফিক্বহুস সুন্নাহ, ১/৪৩,৫১-৫২) ================================ সুৎরার বিধান: মুসল্লীর সামনে দিয়ে যাতায়াত নিষেধ। মুসল্লীর সামনে দিয়ে যাতায়াত করার গোনাহ যদি জানত তার জন্য ৪০ দিন বা ৪০ বছর দাড়িয়ে থাকত।[1] কিবলার দিকে লাটি,মানুষ,দেওয়াল,যেকোন বস্তু দ্বারা মুসল্লীর সামনে সুৎরা বা অাড়াল করতে হয়।[2] তবে জামাঅাত চলার সময় অনিবার্য কারনবশত সামনে দিয়ে যাওয়া জায়েজ অাছে।[3] সিজদাহ এর স্হান হতে সুৎরার মধ্যে বকরি চলাচলের জায়গা থাকতে হবে।[4] অতএব মসজিদে বা খোলা স্হানে সিজদাহ এর স্হান হতে বকরি যাতায়াতের জায়গা রেখে অতিক্রম করা যায়।তবে দাড়িয়ে অপেক্ষা করা উওম।সুৎরা না পেলে সম্মুখ রেখা টানার হাদিস জইফ[5] অাজকাল অনেক মসজিদে সুৎরা বানিয়ে রাখা হয়।যা সামনে রেখে যাতায়াত করা হয়।এটি সামনে দিয়ে যাওয়ার শামিল।শরীঅতে এর কোন প্রমান নেই। দলিল: [1] মুক্তাফাক অালাইহে,মিশকাত হা/৭৭৬. [2]বুখারি, মুসলিম,মিশকাত হা/৭৭৩,৭৭৭. [3]মুক্তাফাক অালাইহে,মিশকাত হা/৭৮৩. [4]বুখারি হা/৪৯৬. [5]অাবু দাউদ,মিশকাত হা/৭৮১. ==================================== “অার যারা তাদের নামাযসমুহের হিফাজত করে,তারাই হবে উওরাধিকারী। অধিকারী হবে জান্নাতুল ফিরদাউসের। তাতে তারা চিরকাল থাকবে। (সুরা:মুমিনুন, অায়াত :৯-১১)
    ইসলামিক দাওয়াহ
  • Sogood Islam Syeds
    5/29, 8:02pm

    Sogood Islam Syeds

    Firoz Sjr added a new photo.
    Firoz Sjr
  • Sogood Islam Syeds
    5/29, 9:53pm

    Sogood Islam Syeds

    #রমজান_মাসের আগমনে মুসলিমগণ আনন্দ প্রকাশ করে থাকেন। আনন্দ প্রকাশ করাই স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ততা। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেনঃ قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَلِكَ فَلْيَفْرَحُوا هُوَ خَيْرٌ مِمَّا يَجْمَعُونَ (يونس: ৫৮) “বলুনঃ এটা আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়া। সুতরাং এতে তারা আনন্দিত হোক। তারা যা সঞ্চয় করে এটা তার চেয়ে উত্তম।” [সূরা ইউনুসঃ৫৮] পার্থিব কোন সম্পদের সাথে আল্লাহর এ অনুগ্রহের তুলনা চলে না, তা হবে এক ধরনের অবাস্তব কল্পনা। যখন রমজানের আগমন হত তখন রাসূলে করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অতিশয় আনন্দিত হতেন, তার সাহাবাদের বলতেনঃ أتاكم رمضان شهر مبارك “তোমাদের দ্বারে বরকতময় মাস রমজান এসেছে।” এরপর তিনি এ মাসের কিছু ফজিলত বর্ণনা করে বলতেনঃ— فرض الله عز وجل عليكم صيامه، تفتح فيه أبواب السماء، وتغلق فيه أبواب الجحيم، وتغل فيه مردة الشياطين، لله فيه ليلة خير من ألف شهر، من حرم خيرها فقد حرم. رواه النسائي “আল্লাহ তাআলা তোমাদের জন্য সিয়াম পালন ফরজ করেছেন। এ মাসে আকাশের দ্বারসমূহ খুলে দেয়া হয়। বন্ধ করে দেয়া হয় জাহান্নামের দরজাগুলো। অভিশপ্ত শয়তানকে বন্দি করা হয়। এ মাসে রয়েছে একটি রাত যা হাজার রাতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। যে ব্যক্তি এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো সে মূলত সকল কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হল।” [সুনানে নাসায়ী] #আমাদের_কর্তব্যঃ আল্লাহর এ অনুগ্রহের মূল্যায়ন করতে চেষ্টা করা, এ মাসের ফজিলত ও তাৎপর্য অনুধাবনে সচেষ্ট হওয়া ও ইবাদত-বন্দেগিসহ সকল কল্যাণকর কাজে নিয়োজিত থাকা। এ মাসের যে সকল ফজিলত রয়েছে তা হলঃ— #এক. এ মাসের সাথে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুকনের সম্পর্ক রয়েছে ; আর তা হলে সিয়াম পালনঃ হজ যেমন জিলহজ মাসের সাথে সম্পর্কিত হওয়ার কারণে সে মাসের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে এমনি সিয়াম রমজান মাসে হওয়ার কারণে এ মাসের মর্যাদা বেড়ে গেছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেনঃ— يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ. سورة البقرة : ১৮৩ “হে মোমিনগণ! তোমাদের উপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে, যেমনি ফরজ করা হয়েছে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর—যাতে তোমরা মুত্তাকি হতে পার।” [সূরা বাকারাঃ ১৮৩] রাসূলে করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ ইসলাম যে পাঁচটি ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত তার একটি হল সিয়াম পালন। এ সিয়াম জান্নাত লাভের একটি মাধ্যম; যেমন হাদিসে এসেছেঃ— من آمن بالله ورسولـه، وأقام الصلاة، وآتى الزكاة، وصام رمضان، كان حقاً على الله أن يدخله الجنة … رواه البخاري “যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনল, সালাত কায়েম করল, জাকাত আদায় করল, সিয়াম পালন করল রমজান মাসে, আল্লাহ তাআলার কর্তব্য হল তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো…।” [সহীহ বোখারি] #দুই. রমজান হল কোরআন নাজিলের মাসঃ আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেনঃ— شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِي أُنْزِلَ فِيهِ الْقُرْآَنُ هُدًى لِلنَّاسِ وَبَيِّنَاتٍ مِنَ الْهُدَى وَالْفُرْقَانِ : البقرة : ১৮৪ “রমজান মাস, এতে নাজিল হয়েছে আল-কোরআন, যা মানুষের দিশারি এবং স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী।” [সূরা বাকারাঃ ১৮৪] রমজান মাসে সপ্তম আকাশের লওহে মাহফুজ থেকে দুনিয়ার আকাশে বায়তুল ইজ্জতে পবিত্র আল-কোরআন একবারে নাজিল হয়েছে। সেখান হতে আবার রমজান মাসে অল্প অল্প করে নবী করিম সাল্লাললাহু আলাইহিসালাম এর প্রতি নাজিল হতে শুরু করে। কোরআন নাজিলের দুটি স্তরই রমজান মাসকে ধন্য করেছে। শুধু আল-কোরআনই নয় বরং ইবরাহিম আলাইহিসালাম এর সহিফা, তাওরাত, যবুর, ইঞ্জিল সহ সকল ঐশী গ্রন্থ এ মাসে অবতীর্ণ হয়েছে বলে তাবরানী বর্ণিত একটি সহি হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে।[সহি আল-জামে] এ মাসে মানুষের হেদায়াত ও আলোকবর্তিকা যেমন নাজিল হয়েছে তেমনি আল্লাহর রহমত হিসেবে এসেছে সিয়াম। তাই এ দুই নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে বেশি বেশি করে কোরআন তিলাওয়াত করা উচিত। প্রতি বছর রমজান মাসে জিবরাইল আলআলাইহিসালাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাললাহু আলাইহিস ালাম-কে পূর্ণ কোরআন শোনাতেন এবং রাসূল সাল্লাললাহু আলাইহিসালাম-ও তাকে পূর্ণ কোরআন শোনাতেন। আর জীবনের শেষ রমজানে আল্লাহর রাসূল সাল্লাললাহু আলাইহিসালাম দু বার পূর্ণ কোরআন তিলাওয়াত করেছেন। [সহি মুসলিমের হাদিস দ্বারা এটা প্রমাণিত] #তিন. রমজান মাসে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয় ও জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়। শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয় শয়তানদেরঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ— إذا جاء رمضان فتحت أبواب الجنة، وأغلقت أبواب النار، وصفدت الشياطين. وفي لفظ : (وسلسلت الشياطين) رواه مسلم “যখন রমজান মাসের আগমন ঘটে তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানদের আবদ্ধ করা হয়। অন্য বর্ণনায় বলা হয়েছে—‘শয়তানদের শিকল পড়ানো হয়।”[সহীহ মুসলিম] তাই শয়তান রমজানের পূর্বে যে সকল স্থানে অবাধে বিচরণ করত রমজান মাস আসার ফলে সে সকল স্থানে যেতে পারে না। শয়তানের তৎপরতা দুর্বল হয়ে যায়। ফলে দেখা যায় ব্যাপকভাবে মানুষ তওবা, ধর্মপরায়ণতা, ও সৎকর্মের দিকে অগ্রসর হয় ও পাপাচার থেকে দূরে থাকে। তারপরও কিছু মানুষ অসৎ ও অন্যায় কাজ-কর্মে তৎপর থাকে। কারণ, শয়তানের কু-প্রভাবে তারা অনেক বেশি প্রভাবিত হয়ে পড়েছে। #চার. রমজান মাসে রয়েছে লাইলাতুল কদরঃ আল্লাহ তাআলা বলেন:— لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ ﴿৩﴾ تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِمْ مِنْ كُلِّ أَمْرٍ ﴿৪﴾ سَلَامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ ﴿৫﴾ (القدر: ৩-৫) “লাইলাতুল কদর সহস্র মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতাগণ ও রুহ অবতীর্ণ হয় প্রত্যেক কাজে তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে। শান্তিই শান্তি, সে রজনি উষার আবির্ভাব পর্যন্ত।” [সূরা আল-কদর : ৩-৫] #পাঁচ. রমজান মাস দোয়া কবুলের মাস : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামবলেনঃ— لكل مسلم دعوة مستجابة، يدعو بـها في رمضان. رواه أحمد “রমজান মাসে প্রত্যেক মুসলিমের দোয়া কবুল করা হয়।”[মুসনাদ আহমদ] অন্য হাদিসে এসেছে— إن لله تبارك وتعالى عتقاء في كل يوم وليلة، (يعني في رمضان) وإن لكل مسلم في كل يوم وليلة دعوة مستجابة. صحيح الترغيب والترهيب. “আল্লাহ রাব্বুল আলামিন রমজানের প্রতি রাতে ও দিনে বহু মানুষকে মুক্তি দিয়ে থাকেন এবং প্রতি রাত ও দিবসে মুসলিমের দোয়া-প্রার্থনা কবুল করা হয়।” [সহি আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব] তাই প্রত্যেক মুসলমান এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজের কল্যাণের জন্য যেমন দোয়া-প্রার্থনা করবে, তেমনি সকল মুসলিমের কল্যাণ, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা জ্ঞাপন করবে। #ছয়. রমজান পাপ থেকে ক্ষমা লাভের মাসঃ যে ব্যক্তি রমজান মাস পেয়েও তার পাপসমূহ ক্ষমা করানো থেকে বঞ্চিত হলো আল্লাহর রাসূল তাকে ধিক্কার দিয়েছেন। তিনি বলেছেন:— .. رغم أنف رجل، دخل عليه رمضان، ثم انسلخ قبل أن يغفر له. .رواه الترمذي “ঐ ব্যক্তির নাক ধুলায় ধূসরিত হোক যার কাছে রমজান মাস এসে চলে গেল অথচ তার পাপগুলো ক্ষমা করা হয়নি।” [সুনানে তিরমিজি] সত্যিই সে প্রকৃত পক্ষে সকল কল্যাণ থেকে বঞ্চিত যে এ মাসেও আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত রয়ে গেল। #সাত. রমজান জাহান্নাম থেকে মুক্তির লাভের মাসঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ— إذا كان أول ليلة من رمضان صفدت الشياطين ومردة الجن، وغلقت أبواب النار، فلم يفتح منها باب، وفتحت أبواب الجنة فلم يغلق منها باب، وينادي مناد كل ليلة : يا باغي الخير أقبل! ويا باغي الشر أقصر! ولله عتقاء من النار، وذلك في كل ليلة. رواه الترمذي “রমজান মাসের প্রথম রজনির যখন আগমন ঘটে তখন শয়তান ও অসৎ জিনগুলোকে বন্দি করা হয়। জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়, এ মাসে আর তা খোলা হয় না। জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, এ মাসে তা আর বন্ধ করা হয় না। প্রত্যেক রাতে একজন ঘোষণাকারী এ বলে ঘোষণা দিতে থাকে যে, হে সৎকর্মের অনুসন্ধানকারী তুমি অগ্রসর হও ! হে অসৎ কাজের অনুসন্ধানকারী তুমি থেমে যাও ! এ মাসের প্রতি রাতে আল্লাহ তাআলা জাহান্নাম থেকে বহু মানুষকে মুক্তি দিয়ে থাকেন।” [সুনানে তিরমিজি] #আট. রমজান ধৈর্য ও সবরের মাসঃ এ মাসে ঈমানদার ব্যক্তিগণ খাওয়া-দাওয়া, বিবাহ-শাদি ও অন্যান্য সকল আচার-আচরণে যে ধৈর্য ও সবরের এত অধিক অনুশীলন করেন তা অন্য কোন মাসে বা অন্য কোন পর্বে করেন না। এমনিভাবে সিয়াম পালন করে যে ধৈর্যের প্রমাণ দেয়া হয় তা অন্য কোন ইবাদতে পাওয়া যায় না। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেনঃ— إِنَّمَا يُوَفَّى الصَّابِرُونَ أَجْرَهُمْ بِغَيْرِ حِسَابٍ. الزمر: ১০ “ধৈর্যশীলদের তো বিনা হিসাবে পুরস্কার দেয়া হবে।” [সূরা যুমারঃ১০] সংকলন : আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান تأليف: عبد الله شهيد عبد الرحمن সম্পাদনা : কাউসার বিন খালিদ مراجعة: كوثر بن خالد সূত্র: ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ, সৌদিআরব المكتب التعاوني للدعوة وتوعية الجاليات بالربوة بمدينة الرياض
    আশরাফ খান
  • Sogood Islam Syeds
    5/29, 10:10pm

    Sogood Islam Syeds

    ক্বুরানের অনুবাদ কোনটা পড়বো? উত্তরঃ আজ ২০শে শাবান ১৪৩৭ হিজরী। ইন শা’ আল্লাহ আর মাত্র ৯/১০ দিন পর থেকেই রমযান মাস শুরু হচ্ছে। রমযান মাসের সম্মান, মর্যাদা ফযীলত সব কিছুই হচ্ছে ক্বুরানুল কারীম নাযিল হওয়ার জন্য। তাই আমাদের উচিত রমযান মাসে ক্বুরানের উপর বেশি মনোযোগী হওয়া। ক্বুরানের হক্ক আদায় করার প্রথম হচ্ছে – ক্বুরানুল কারীম তেলাওয়াত করা। ক্বুরান তেলাওয়াত করার ৩টা স্তর রয়েছেঃ- ১. ক্বুরানের আয়াত আরবীতে সুন্দর সুরে সঠিক উচ্চারণে তেলাওয়াত করা। যারা তাজবীদ পারেন না তারা এই মাসে উস্তাদ রেখে তালীম নিন। শুদ্ধ উচ্চারনে ক্বুরান তেলাওয়াত করা ফরয। ২. ক্বুরানুল কারীমের অর্থ বোঝা এর মর্মার্থ অনুধাবন করা। এটা প্রথম স্তর থেকে আরো বেশি জরুরী। এইজন্য আরবীতে তেলাওয়াতের পাশাপাশি অবশ্যই আপনার ক্বুরানের অনুবাদ, তাফসীর পড়বেন। ৩. ক্বুরানুল কারীমের উপর আমল করা, এর বেধে দেওয়া হালাল ও হারামের সীমানা মেনে চলা। আমরা যারা আরবী বুঝিনা তাদেরকে ক্বুরানুল কারীম বোঝার জন্য এর বাংলা/ইংরেজী অনুবাদ পড়তে হবে এবং এর সাথে সাথে আয়াতের তাফসীর দেখতে হবে। ক্বুরানুল কারীমের সবচেয়ে ভালো অনুবাদ করেছেন আল্লামাহ মুহসিন খান ইংরেজীতে। তিনি ক্বুরান ও সহীহ হাদীসের অনুসারী একজন আলেম, তাই তার অনুবাদ প্রচলিত যেকোন অনুবাদের চেয়ে উত্তম ও ক্বুরানের সবচাইতে কাছাকাছি। এছাড়া এর ফুটনোটে তাফসীর ইবনে কাসীর থেকে বিভিন্ন হাদীস ও সংক্ষিপ্ত ব্যখ্যা দেওয়া আছে, যা আয়াতগুলো বুঝতে সাহায্য করে। আমার দৃষ্টিতে এটা বাংলা যেকোন অনুবাদের চাইতে সহজবোধ্য এবং নির্ভরযোগ্য, কারণ এটা একজন আলেম অনুবাদ করেছেন, সংক্ষিপ্ত তাফসীরসহ এবং এর ভাষা সহজ। বিদেশে অনেক মসজিদ ও ইসলামী সেন্টারে এটা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য আব্দুল্লাহ ইউসুফ আলীর অনুবাদে অনেক মিথ্যা, অপব্যখ্যা দেওয়া আছে। অনেক ইসলামিক বক্তা আব্দুল্লাহ ইউসুফ আলীর অনুবাদের প্রশংসা করলেও, মূলত আব্দুল্লাহ ইউসুফ আলী ছিলেন একজন বাহায়ী/বোহরা শিয়া। এদের অনেক শিরকী কুফুরী আকীদাহ আছে, যা তিনি তার অনুবাদে উল্লেখ করে রেখছেন। তাই আব্দুল্লাহ ইউসুফ আলীর ইংরেজী অনুবাদ পড়া যাবেনা। যদিও প্রথমে সৌদি আরব থেকে এটা বিনামূল্যে দেওয়া হতো, পরবর্তীতে শায়খ বিন বাজ রাহিমাহুল্লাহকে এ ব্যপারে অবহিত করা হলে তিনি তদন্ত করে এটা নিষিদ্ধ করে করে মুহসিন খানের অনুবাদ প্রচার করার আদেশ দেন। আর বাংলাতে ভালো অনুবাদের জন্য আপনারা “তাফসীর আহসানুল বায়ান” এটা পড়তে পারেন। এটা আসলে পাকিস্থানী একজন আলেম – সালাউদ্দিন ইউসুফ এর সংক্ষিপ্ত (৩খন্ডে) তাফসীর, যা বাংলাতে ‘তাওহীদ প্রকাশনী’ প্রকাশ করেছে। মূল বইয়ের বাংলা অনুবাদ করেছেন শায়খ আব্দুল হা’মীদ মাদানী ফাইজী। এটা ফ্রী ডাউনলোড করা যাবে এখান থেকে http://www.islamhouse.com/409362/bn/bn/books/%E0%A6%A4%E0%A6%AB%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%B0_%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B2_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8 এছাড়া শুধু ক্বুরানের অনুবাদের জন্যে তাওহীদ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত “তাইসিরুল ক্বুরান” এই বইটা কিনতে পারেন। তাফসীরঃ উপরের বাংলা ইংরেজী ২টাই সংক্ষিপ্ত তাফসীর। এর যেকোন একটা পড়া হলে আরো বিস্তারিত তাফসীর পড়বেন “তাফসীর ইবনে কাসীর থেকে”। মারেফুল কুরান, তাফহীমুল কুরান, ফি যিলালিল কুরান, তাফসীর মাযহারী, তফসীরে আশরাফ আলী থানবী এইগুলো পড়ে শিরক, বিদাত ও ক্বুরানের অপব্যখ্যা নেবেন না। এইগুলোতে আছে সূফীবাদের ভ্রান্ত শিরকি কুফুরী আকীদাহ, আশারি মাতুরিদিদের ভ্রান্ত আকীদাহ, কুরান হাদীসের মনগড়া অপব্যখ্যা। কুরআনের আরেক নাম হলো “ফুরক্বান” – যার অর্থঃ সত্য মিথ্যার পার্থক্যকারী। আপনি যদি কুরআনের অর্থ বুঝে পড়েন, কুরআনের সঠিক তাফসীর পড়েন, আলেমদের কুরআন শিক্ষার লেকচার শুনেন, তাহলে আপনি এই “ফুরক্বান” দিয়ে কোনটা সঠিক কোনটা ভুল বুঝতে পারবেন। তাফসীর হলো হাদীস ও রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর জীবনী দিয়ে কুরআনের আয়াতের ব্যখ্যা। এই আয়াতটা কেনো নাযিল হয়েছিলো, এই আয়াতের আসল অর্থ কি হবে, এই আয়াত থেকে কি শিক্ষা বা আদেশ অথবা নিষেধ পাওয়া গেলো এই হচ্ছে তাফসীরের মূল আলোচনার বিষয়। অনেক সময় তাফসীর জানা না থাকলে আয়াতের আসল অর্থই বুঝা যায়না, ভুল বোঝার সম্ভাবনা থাকে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, তাফসীর নামে কুরআনের অপব্যখ্যা থেকে বেঁচে থাকার জন্য। “মারেফুল কুরআন” না বা “তাফহীমুল কুরআন” এই দুইটি তাফসীর আমাদের দেশে খুব প্রচলিত থাকলেও আকীদাগত ভুল ও কুরআনের অপব্যখ্যা থাকায় কুরআন সুন্নাহর আলেমরা ও আরব দেশগুলোতে এই দুইটা তাফসীরকে প্রত্যাখ্যান করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শ্রেষ্ঠ তাফসীর গ্রন্থের মাঝে একটি হলো ইমাম ইবনে কাসীরের “তাফসীর ইবনে কাসীর” যা বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে। যে কোনো আয়াতের আসল অর্থ জানার জন্য অথবা কোনো প্রশ্ন থাকলে দেরী না করে সবার আগে এই গ্রন্থটিতে চেক করে নিবেন, আসল অর্থ জানার জন্য। অনলাইনে ফ্রী ডাউনলোড লিংক- http://www.quraneralo.com/tafsir
    তোমরা তোমাদের পালনকর্তার অভিমূখী হও এবং তাঁর আজ্ঞাবহ হও
  • Sogood Islam Syeds
    5/29, 11:12pm

    Sogood Islam Syeds

    আহক! চাই লওঁ ইমাম আবু হানীফা (ৰহঃ)-ৰ সকলো মাছায়ালা সঠিক আছিল নে নাই। ০১) যিকোনো ভাষাত নামাজৰ ছুৰা (কিৰাআত) পঢ়িলে ইমাম আবু হানিফাৰ মতে উত্তম যদিও সেই ব্যক্তিয়ে আৰবী ভাষা জানে। কিন্তু ইমাম আবূ ইউচুফ আৰু ইমাম মুহাম্মাদৰ মতে সেইটো নাজায়েজ। (হিদায়াৰ ১৪০১ হিঃ আশ্ৰফী হিন্দ ছপাৰ ১ম খণ্ডৰ ১০২ পৃঃ) ০২) আল্লাহ তা’আলাই কুৰআনত যিসকল মহিলাক বিবাহ কৰা হাৰাম কৰিছে সেই সকল মহিলাক কোনোবাই বিবাহ কৰালে আৰু যৌন ক্ষুধা পূৰণ কৰিলে ইমাম আবূ হানিফাৰ মতে কোনো হদ (শাস্তিৰ) প্রয়োজন নাই। কিন্তু ইমাম আবূ ইউচুফ আৰু ইমাম মুহাম্মদৰ মতে হদ দিব লাগিব। (হিদায়াৰ ১৪০১ হিঃ আশ্ৰফী হিন্দ ছপাৰ ১ম খণ্ডৰ ৫১৬ পৃঃ) ০৩) ৰোগ মুক্তিৰ কাৰণে হাৰাম জানোৱাৰৰ পেচাব পান কৰা ইমাম আবূ হানিফাৰ মতে হাৰাম কিন্তু ইমাম আবূ ইউচুফ আৰু ইমাম মুহাম্মাদৰ মতে হালাল। (হিদায়াৰ ১৪০১ হিঃ আশ্ৰফী হিন্দ ছপাৰ ১ম খণ্ডৰ ৪২ পৃঃ) ০৪) কুঁৱাৰ ভিতৰত এন্দুৰ পৰি মৰি গ’লে সেই কুঁৱাৰ পানীৰ দ্বাৰা অজু কৰি নামাজ পঢ়িলে ইমাম আবু হানিফাৰ মতে নামাজ হব¸ কিন্তু শ্বাগৰেদদ্বয়ৰ মতে নামাজ নহব। (হিদায়াৰ ১৪০১ হিঃ আশ্ৰফী হিন্দ ছাপাৰ ১ম খণ্ডৰ ৪৩ পৃঃ) ০৫) কোনো ব্যক্তি যদি কোনো স্ত্রীৰ মলদ্বাৰত যৌন ক্ষুধা নিবাৰণ কৰে তেতিয়া ইমাম আবূ হানিফাৰ মতে কোনো কাফফাৰাৰ (শাস্তিৰ) প্রয়োজন নাই। কিন্তু ইমাম মুহাম্মাদৰ মতে কাফফাৰা দিব লাগিব। (হিদায়াৰ ১৪০১ হিঃ আশ্ৰফী হিন্দ ছপাৰ ১ম খণ্ডৰ ৫১৬ পৃঃ) ০৬) ইমাম আবূ হানীফাৰ মতে ছাঁ দ্বিগুণ হোৱাৰ পিছৰ পৰা আছৰৰ নামাজৰ সময় আৰম্ভ হয়¸ কিন্তু ইমাম আবূ ইউচুফ আৰু ইমাম মুহাম্মাদৰ মতে ছাঁ একগুণ হোৱাৰ পিছৰ পৰাই আছৰৰ সময় আৰম্ভ হয়। (হিদায়াৰ ১২৯৯ হিঃ৯মোস্তফায়ী ছপাৰ ১ম খণ্ডৰ ৬৪ পৃঃ) ০৭) ফাৰ্চী ভাষাত তাকবীৰ ক’লে নামাজ পঢ়াটো ইমাম আবূ হানীফা আৰু আবূ ইউচূফৰ মতে জায়েজ, কিন্ত ইমাম মুহাম্মাদৰ মতে নাজায়েজ। (হিদায়াৰ ১৪০১ হিঃ আশ্ৰফী হিন্দ ছপাৰ ১ম খণ্ডৰ ১০১ পৃঃ) ০৮) খেজুৰ ভিজোৱা পানী য’ত ফেন ধৰি গৈছে এনেকুৱা পানীৰে অজু কৰা ইমাম আবূ হানীফাৰ মতে জায়েজ¸ কিন্তু ইউচুফৰ মতে হালাল নহয়। (হিদায়াৰ ১২৯৯ হিঃ মোস্তফায়ী ছপাৰ ১ম খণ্ডৰ ৩০ পৃঃ) ০৯) ইমাম আবূ হানীফাৰ মতে নামাজৰ ছিজদাৰ সময়ত নাক অথবা কপালৰ যিকোনো এটা মাটিত লাগি থাকিলেই নামাজ হব¸ কিন্তু মুহাম্মাদৰ মতে জায়েজ নহব। নাক কপাল দুয়োবিধেই লাগিব লাগিব। (হিদায়াৰ ১২৯৯ হিঃ মোস্তফায়ী ছপাৰ ১ম খণ্ডৰ ৯০ পৃঃ) পাঠকসকল এনেকুৱ ৬১ টা মতবিৰোধ হিদায়া কিতাপত আছে যিবোৰ সময়ৰ অভাৱত টাইপ কৰিব নোৱাৰিলোঁ। এই মতবিৰোধৰ পৰা বুজা যায় ইমাম আবু হানীফা ভুলৰ উর্দ্ধত নাছিল। তেওঁলোকৰ সময়ত ছহীহ হাদীছ সংকলন হোৱা নাছিল কাৰণে বেছি ভাগ সমস্যাই ইজমা-কিয়াছ আৰু যুক্তিৰ দ্বাৰা সমাধান কৰিছিল। অৱশেষত এই সংকটময় অবস্থাত চাৰি ইমাম চাহেবেই নিজ নিজ অনুসাৰীসকলক কৈ যায়, “আমি যি ফয়চালা দিছোঁ ভবিষ্যতে যদি ছহীহ হাদীছ সংকলিত হয় আৰু আমাৰ ফয়চালা ছহীহ হাদীছৰ পৰিপন্থী হয়, তেনেহ’লে আমাৰ ফয়চালা পৰিত্যাগ কৰি ছহীহ হাদীছৰ অনুসৰণ কৰিবা।” ইয়াৰ পিছতো যদি কোনোবাই অন্ধ-গোড়া স্বভাৱৰ হয় তেনেহ’লে আবু হানীফাৰ নিম্ন ফতোৱাসমূহ নিশ্চয় মানিব। কাৰণ এইবোৰ বিখ্যাত হিদায়া আৰু অন্যান্য ফতোৱাৰ কিতাপৰ পৰা সংকলিত। ইয়াত ভুল হোৱাৰ কোনো আশংকা নাই। যদি এই ফতোৱাসমূহ অস্বীকাৰ কৰে তেনেহ’লে হিদায়াখনকেই অস্বীকাৰ কৰা হব। অথচ হিদায়া সম্পর্কে এনেকুৱা কথা কোৱা হৈছেঃ “নিশ্চয় হিদায়া কিতাপখন নির্ভুল পবিত্র কুৰআনৰ দৰে (নাঊজুবিল্লাহ)। নিশ্চয় এইখনে তেওঁৰ পূর্বৱর্তী ৰচিত শ্বৰীয়তৰ সকলো গ্রন্থৰাজীক ৰহিত (বাতিল) কৰি পেলাইছে।” (হিদায়া মোকাদ্দমা-আখেৰাইন ৩য় পৃঃ, হিদায়া ৩য় খণ্ড ২য় ভলিউম ৪পৃঃ আৰবী, মাদ্রাছাৰ ফাজিল ক্লাছৰ পাঠ্য হিদায়া ভুমিকা পৃঃ ৬, আৰাফাত পাব্লিবেচন্স) আহক! তেনেহ’লে ইয়াৰ পবিত্রতা পৰীক্ষা কৰোঁ আহক- ৰাছূলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ হাদীছ অনুযায়ী স্বামী আৰু স্ত্রীয়ে সঙ্গম কৰাৰ উদ্দেশ্যে উভয়ৰ লিঙ্গ একত্ৰিত কৰি সামান্য অংশ প্রৱেশ কৰিলেও উভয়ৰ ওপৰত গোছল ফৰজ হয়, তাতে বীর্যপাত হওঁক বা নহওঁক। (ছহীহ তিৰমিযী) ছহীহ হাদীছৰ বিপৰীতমুখী যিসকল জঘন্যতম ফতোৱা এতিয়াও মাযহাবীসকলে চালু ৰাখিছে তাৰ কিছুমান তলত উল্লেখ কৰা হ’ল- **** নিশ্চিত যে হিদায়া কিতাপখন পবিত্র কুৰআনৰ দৰে(নাঊজুবিল্লাহ)। নিশ্চয় এইখন তেওঁৰ পূর্বৱর্তী ৰচিত শ্বৰীয়তৰ সকলো গ্রন্থৰাজীক ৰহিত (বাতিল) কৰি পেলাইছে। (হিদায়া মোকাদ্দমা-আখেৰাইন ৩য় পৃঃ, হিদায়া ৩য় খণ্ড ২য় ভলিউম পৃঃ ৪ আৰবী, মাদ্রাছাৰ ফাজিল ক্লাছৰ পাঠ্য হিদায়া ভূমিকা পৃঃ ৬, আৰাফাত পাব্লিকেচনন্স) ০১) ইমাম আবূ হানিফাৰ তৰীকা অনুযায়ী চতুষ্পদ জন্তু, মৃতদেহ অথবা নাবালিকা ছোৱালীৰ লগত সঙ্গম কৰাৰ উদ্দেশ্যে উভয়ৰ লিঙ্গ একত্রিত হৈ কিছু অংশ প্রৱেশ কৰিলেও অজু নষ্ট নহয়। কেৱল পুংলিঙ্গ ধুই লব লাগিব। (দুৰ্ৰে মুখতাৰ অজু অধ্যায়) ০২) যদি কোনো লোকে মৃত স্ত্রী অথবা চতুষ্পদ জন্তুৰ যোনীপথত বা অন্য কোনো দ্বাৰত ৰোজা অৱস্থাত বলাৎকাৰ কৰে তেনেহ’লে তাৰ ৰোজা নষ্ট নহব। (শ্বাৰহে বিকায়া, লক্ষ্নৌভি-ৰ ইউচুফী ছপাৰ ১ম খণ্ডৰ ২৩৮পৃঃ) ০৩) আল্লাহ তা’আলাই কুৰআনত যিসকল মহিলাক বিবাহ কৰা হাৰাম কৰিছে। যথা- মাতা, ভগ্নী, নিজৰ কন্যা, মাহী, পেহী ইত্যাদি মহিলাসকলক যদি কোনো ব্যক্তিয়ে বিবাহ কৰে আৰু তেওঁৰ লগত যৌন-সঙ্গম কৰে তেনেহ’লে ইমাম আবু হানিফাৰ মতে তাৰ ওপৰত কোনো হদ (শাস্তি) নাই। (হিদায়া ১৪০১ হিঃ আশ্ৰফী হিন্দ ছপা ৫১৬ পৃঃ, আলমগিৰী মিছৰী ছপা ২য় খণ্ড ১৬৫ পৃঃ, বাবুল ওৱাতী ৪৯৫ পৃঃ) ০৪) বাদশ্বাহে যদি কাৰোবাৰ সৈতে বলপূর্বক জ্বিনা কৰে তেনেহ’লে আবূ হানিফাৰ মতে সেই ব্যক্তিৰ ওপৰত কোনো শাস্তিৰ প্রয়োজন নাই। কিন্তু বাদশ্বাহ ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তিয়ে যদি বলপূর্বক কাৰোবাৰ সৈতে জ্বিনা কৰে তেনেহ’লে আবূ হানিফাৰ মতে সেই ব্যক্তিৰ ওপৰত হদ জাৰী কৰা হব। (হিদায়া ১৪০১ হিঃ আশ্ৰফী হিন্দ ছপা ১ম খণ্ড ৫১৯ পৃঃ) ০৫) কোনো ব্যক্তিয়ে যদি কাৰোবাৰ সৈতে জ্বিনা (যৌন সঙ্গম) কৰি থাকে আৰু জ্বিনাৰ অৱস্থাত যদি অন্য কোনোবাই দেখে আৰু জ্বিনাকাৰী ব্যক্তিয়ে যদি মিছাকৈ কয় যে¸এই ছোৱালীজনী মোৰ স্ত্রী তেনেহ’লে উভয় জ্বিনাকাৰীৰ ওপৰতেই হদৰ (শাস্তিৰ) প্রয়োজন নাই। (হিদায়া ১৪০১ হিঃ আশ্ৰফী হিন্দ ছপা ১ম খণ্ড ৫১৯ পৃঃ) ০৬) ৰমজান মাহত ৰোজা অৱস্থাত যদি কোনোৱে মলদ্বাৰত সঙ্গম কৰে¸ তেনেহ’লে ইমাম আবূ হানিফাৰ মতে কাফ্ফাৰা ওৱাজিব নহয়। (হিদায়া ১৪০১ হিঃ আশ্ৰফী হিন্দ ছপা ১ম খণ্ড ২১৯ পৃঃ) ০৭) কোনোবাই যদি ‘বিছমিল্লাহ’ বুলি কুকুৰ জবেহ কৰি তাৰ মাংস বজাৰত বিক্রী কৰে¸ তেনেহ’লে নিশ্চয় সেয়া জায়েজ হব। (শ্বাৰহে বেকায়া ১ম খণ্ড) ০৮) গম, যব, মধু, জোৱাৰ পৰা যি মদ প্রস্তুত কৰা হয় তাক ইমাম আবূ হানিফা’ৰ মতে পান কৰা হালাল আৰু এইবোৰ মদ পানকাৰী লোকৰ নিচা হ’লেও হদ (শাস্তি) দিয়া নহব। (হিদায়াৰ মোস্তফায়ী ছপা ২য় খণ্ড ৪৮১ পৃঃ) ০৯) আঙুলি আৰু মহিলাৰ স্তন মল-মূত্রৰ দ্বাৰা নাপাক হৈ গ’লে, তিনিবাৰ জিভাৰে চেলেকি দিলেই পাক হৈ যাব। (দুৰ্ৰে মোখতাৰৰ ৩৬ পৃষ্ঠাত বাবুল আনজাচত চাওঁক) ১০) যদি কোনোবাই তেওঁৰ পিতাৰ কৃতদাসীৰ সৈতে সহবাস (যৌন মিলন) কৰে তথাপি কোনো শাস্তি নাই। (হিদায়া ১৪০১ হিঃ আশ্ৰফী হিন্দ ছপা ১ম খণ্ড ৫১৫ পৃঃ) ১১) কোনো মহিলাৰ স্বামীৰ মৃত্যু হ’লে আৰু মৃত্যুৰ দুই বছৰ পিছত সেই মহিলাৰ সন্তান হ’লে, তথাপি সেই সন্তান তাৰ মৃত স্বামীৰেই হব। (হিদায়া ১৪০১ হিঃ আশ্ৰফী হিন্দ ছপা ১ম খণ্ড ৩৩১ পৃঃ) ১২) স্বামী প্রবাসত আছে, সুদীর্ঘকাল অতীত হৈছে। বহু বছৰ ধৰি স্বামী উভতি অহা নাই। এইফালে স্ত্রীৰ পুত্র সন্তান জন্ম হৈছে। তেনেহ’লেও এই সন্তান হাৰামী বা জাৰজ নহব। সেই স্বামীৰেই ঔৰসজাত হব। (বেহেস্তি জেওৰ ৪র্থ খণ্ড ৪৪পৃঃ) ১৩) আবূ বকৰ বিন ইছকানে কৈছে, যদি কোনো ব্যক্তিয়ে কাৰোবাৰ মাল চুৰি-ডকাইতি কৰি লৈ আহি চোবাই চোবাই খায়¸ তেনেহ’লে ইমাম আবূ হানিফাৰ মতে হালাল হব। (কাজি খাঁ ৪র্থ খণ্ড ৩৪৩ পৃঃ) ১৪) পিতাৰ পো-পুত্রৰ দাসীৰ লগত যৌন মিলন কৰা সকলো অৱস্থাতে হালাল। আৰু যুক্তি দর্শোৱা হৈছে- দাসী হৈছে পূত্রৰ সম্পদ আৰু পুত্রৰ সম্পদত পিতা-পুত্র উভয়ৰেই হক আছে। ফলত একেই নাৰীৰ দ্বাৰা উভয় পুৰুষৰ যৌন ক্ষুধা পূৰোৱা হালাল। (নুৰুল আনওৱাৰ ৩০৪পৃঃ) ১৫) কুৰআন আৰু ছহীহ হাদীছৰ স্পষ্ট বিৰোধী মাছআলাহ- চাৰি মাযহাব চাৰি ফৰজ। হানাফী, শ্বাফিঈ, মালিকী আৰু হাম্বলী। এই চাৰি মাযহাব। (বেহেস্তি জেওৰ স্ত্রী শিক্ষা ১০৪ পৃঃ দ্রঃ, আলহাজ্জ মৌলভী আব্দুৰ ৰহীম। কুৰআন মঞ্জিল লাইব্রেৰী-ৰবিশাল) ১৬) যদি কোনো ব্যক্তিয়ে পইচাৰ বিনিময়ত কোনো নাৰীৰ সৈতে জ্বিনা কৰে¸ তথাপি আবূ হানিফাৰ বিধান মতে কোনো হদ (শাস্তি) নাই। (অর্থাৎঃ গোটেই বিশ্বত যিমান বেশ্যাখানা আছে সকলোৱেই বৈধ)। (জাখীৰাতুল উকবাও শ্বাৰহে বিকায়াৰ হাশ্বিয়া চাল্পিত আছে। (বিস্তাৰিত চাওঁক ‘আচায়ে মুহাম্মাদী’) ১৭) কুৰআন আৰু ছহীহ হাদীছক পদাঘাত কৰি হানাফী মাযহাবৰ বিখ্যাত ফতোৱাৰ কিতাপত চুৰি, ডকাইতি, মাস্তানি, লুট, খুন বা হত্যা কৰাকে বৈধ কৰা হৈছে। (চাওঁক হিদায়া ২য় খণ্ড ৫২৭ পৃঃ, ৫৩৭ পৃঃ, ৫৪০-৫৪২ পৃঃ, ৫৪৬ পৃঃ, ৫৫৭ পৃঃ, ৫৫৮ পৃঃ, হিদায়া ৩য় খণ্ড ৩৫৬ পৃঃ, ৩৬৪-৩৬৫পৃঃ। হিদায়া ৪র্থ খণ্ড ৫৪৭ পৃঃ, ৫৫০ পৃঃ) ১৮) পবিত্রতম ছূৰা হুদৰ ৮৪-৮৫ ৰ বিশিষ্ট ৪৪ নম্বৰ আয়াত পবিত্রতম ছূৰা মূলকৰ প্রায় ৪০ ৰ বিশিষ্ট পবিত্র শেষ আয়াতত কেৰামতি তাবিজৰূপে ধাৰণ কৰিলে শীঘ্ৰ বীর্যপাত নহব। (বেহেস্তি জেওৰ ৯ম খণ্ডৰ ১৫৪পৃঃ) এয়াই হৈছে আমাৰ ফিকাহৰ কিতাপ!?! আল্লাহে আমাক সঠিক পথ অনুসৰণ কৰাৰ তৌফিক দান কৰক। আমীন….
    Moulana Abdul Goni
  • May 30
  • Sogood Islam Syeds
    5/30, 6:06am

    Sogood Islam Syeds

    Chanchal Hossain added a new photo.
    রাক‘আত সংখ্যা : রামাযান বা রামাযানের বাইরে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হ’তে রাত্রির এই বিশেষ নফল ছালাত তিন রাক‘আত বিতরসহ ১১ রাক‘আত ছহীহ সূত্র সমূহ দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে। যেমন আয়েশা (রাঃ) বলেন, مَا كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَزِيْدُ فِيْ رَمَضَانَ وَلاَ فِيْ غَيْرِهِ عَلَى إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً، يُصَلِّيْ أَرْبَعًا فَلاَ تَسْأَلْْ عَنْ حُسْنِهِنَّ وَطُوْلِهِنَّ ثُمَّ يُصَلِّيْ أَرْبَعًا فَلاَ تَسْأَلْ عَنْ حُسْنِهِنَّ وَطُوْلِهِنَّ ثُمَّ يُصَلِّيْ ثَلاَثًا، متفق عليه- অর্থ : রামাযান বা রামাযানের বাইরে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) রাত্রির ছালাত এগার রাক‘আতের বেশী আদায় করেননি। তিনি প্রথমে (২+২) [8] চার রাক‘আত পড়েন। তুমি তার সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো না। অতঃপর তিনি (২+২) চার রাক‘আত পড়েন। তুমি তার সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো না। অতঃপর তিন রাক‘আত পড়েন।[9] বিশ রাক‘আত তারাবীহ : প্রকাশ থাকে যে, উক্ত রেওয়ায়াতের পরে ইয়াযীদ বিন রূমান থেকে ‘ওমরের যামানায় ২০ রাক‘আত তারাবীহ পড়া হ’ত’ বলে যে বর্ণনা এসেছে, তা ‘যঈফ’ এবং ২০ রাক‘আত সম্পর্কে ইবনু আববাস (রাঃ) থেকে ‘মরফূ’ সূত্রে যে বর্ণনা এসেছে, তা ‘মওযূ’ বা জাল।[12] এতদ্ব্যতীত ২০ রাক‘আত তারাবীহ সম্পর্কে কয়েকটি ‘আছার’ এসেছে, যার সবগুলিই ‘যঈফ’।[13] ২০ রাক‘আত তারাবীহর উপরে ওমরের যামানায় ছাহাবীগণের মধ্যে ‘ইজমা’ বা ঐক্যমত হয়েছে বলে যে দাবী করা হয়, তা একেবারেই ভিত্তিহীন ও বাতিল কথা (بَاطِلَةٌ جِدًّا) মাত্র। [14] তিরমিযীর ভাষ্যকার খ্যাতনামা ভারতীয় হানাফী মনীষী দারুল উলূম দেউবন্দ-এর তৎকালীন সময়ের মুহতামিম (অধ্যক্ষ) আনোয়ার শাহ কাষ্মীরী (১২৯২-১৩৫২/১৮৭৫-১৯৩৩ খৃঃ) বলেন, একথা না মেনে উপায় নেই যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর তারাবীহ ৮ রাক‘আত ছিল। [15] এটা স্পষ্ট যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খুলাফায়ে রাশেদীন থেকে এবং রাসূল (ছাঃ)-এর অন্য কোন স্ত্রী ও ছাহাবী থেকে ১১ বা ১৩ রাক‘আতের ঊর্ধ্বে তারাবীহ বা তাহাজ্জুদের কোন বিশুদ্ধ প্রমাণ নেই।[16] বর্ধিত রাক‘আত সমূহ পরবর্তীকালে সৃষ্ট। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) রাত্রির ছালাত ১১ বা ১৩ রাক‘আত আদায় করতেন। পরবর্তীকালে মদীনার লোকেরা দীর্ঘ ক্বিয়ামে দুর্বলতা বোধ করে। ফলে তারা রাক‘আত সংখ্যা বৃদ্ধি করতে থাকে, যা ৩৯ রাক‘আত পর্যন্ত পৌঁছে যায়’।[17] অথচ বাস্তব কথা এই যে, আল্লাহর আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) যেমন দীর্ঘ ক্বিয়াম ও ক্বিরাআতের মাধ্যমে তিন রাত জামা‘আতের সাথে তারাবীহর ছালাত আদায় করেছেন, তেমনি সংক্ষিপ্ত ক্বিয়ামেও তাহাজ্জুদের ছালাত আদায় করেছেন। যা সময় বিশেষে ৯, ৭ ও ৫ রাক‘আত হ’ত। কিন্তু তা কখনো ১১ বা ১৩ -এর ঊর্ধ্বে প্রমাণিত হয়নি।[18] তিনি ছিলেন ‘সৃষ্টিজগতের প্রতি রহমত স্বরূপ’ (আম্বিয়া ২১/১০৭) এবং বেশী না পড়াটা ছিল উম্মতের প্রতি তাঁর অন্যতম রহমত। শৈথিল্যবাদ : অনেক বিদ্বান উদারতার নামে ‘বিষয়টি প্রশস্ত’ (الأمر واسع) বলে শৈথিল্য প্রদর্শন করেন এবং ২৩ রাক‘আত পড়েন ও বলেন শত রাক‘আতের বেশীও পড়া যাবে, যদি কেউ ইচ্ছা করে। দলীল হিসাবে ইবনু ওমর (রাঃ) বর্ণিত প্রসিদ্ধ হাদীছটি পেশ করেন যে, ‘রাত্রির ছালাত দুই দুই (مَثْنَى مَثْنَى) করে। অতঃপর ফজর হয়ে যাবার আশংকা হ’লে এক রাক‘আত পড়। তাতে পিছনের সব ছালাত বিতরে (বেজোড়ে) পরিণত হবে’।[19] অত্র হাদীছে যেহেতু রাক‘আতের কোন সংখ্যাসীমা নেই এবং রাসূল (ছাঃ)-এর কথা তাঁর কাজের উপর অগ্রাধিকারযোগ্য, অতএব যত রাক‘আত খুশী পড়া যাবে। তবে তারা সবাই একথা বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ১১ রাক‘আত পড়েছেন এবং সেটা পড়াই উত্তম। অথচ উক্ত হাদীছের অর্থ হ’ল, রাত্রির নফল ছালাত (দিনের ন্যায়) চার-চার নয়, বরং দুই-দুই রাক‘আত করে। [20] তাছাড়া রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) স্বীয় উম্মতকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, তোমরা ছালাত আদায় কর, যেভাবে আমাকে ছালাত আদায় করতে দেখছ’।[21]
    Chanchal Hossain
  • Sogood Islam Syeds
    5/30, 6:14am

    Sogood Islam Syeds

    তাহিয়্যাতুল মাসজিদ নামায তাহিয়্যাতুল মাসজিদ বা মসজিদ সেলামীর নামায (২ রাক্‌আত) মসজিদ প্রবেশ করার পর বসার পূর্বেই পড়তে হয়। এর জন্য কোন সময়-অসময় নেই। প্রিয় নবী (সাঃ) বলেন, “তোমাদের মধ্যে যে কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করবে, তখন সে যেন বসার পূর্বে ২ রাক্‌আত নামায পড়ে নেয়।” অন্য এক বর্ণনায় আছে, “সে যেন ২ রাক্‌আত নামায পড়ার পূর্বে না বসে।” (বুখারী, মুসলিম, সহীহ প্রমুখ ইরওয়াউল গালীল, আলবানী ৪৬৭নং) এই দুই রাকআত নামায বড় গুরুত্বপূর্ণ। তাই তো জুমআর দিনে খুতবা চলাকালীন সময়েও মসজিদে এলে হাল্কা করে তা পড়ে নিতে হয়। (মুসলিম, মিশকাত ১৪১১নং) আযান চলাকালে মসজিদ প্রবেশ করলে না বসে আযানের জওয়াব দিয়ে শেষ করে তারপর ‘তাহিয়্যাতুল মাসজিদ’ পড়তে হবে। তবে জুমআর দিন খুতবার আযান হলে জওয়াব না দিয়ে ঐ ২ রাকআত নামায আযান চলা অবস্থায় পড়ে নিতে হবে। যেহেতু খুতবা শোনা আরো জরুরী। (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ্‌, সঊদী উলামা-কমিটি ১/৩৩৫) মসজিদে প্রবেশ করে সুন্নাতে মুআক্কাদাহ পড়তে হলে ঐ নামায আর পড়তে হয় না। কারণ, তখন এই সুন্নতই ওর স্থলাভিষিক্ত ও যথেষ্ট হয়। (মাজাল্লাতুল বুহূসিল ইসলামিয়্যাহ্‌ ১৫/৬৭, লিকাউবাবিল মাফতূহ্‌, ইবনে উসাইমীন ৫৩/৬৯) যেমন হারামের মসজিদে প্রবেশ করে (বিশেষ করে মুহ্‌রিমের জন্য) ‘তাহিয়্যাতুল মাসজিদ’ হল তওয়াফ; ২ রাকআত সুন্নত নয়। (মাজাল্লাতুল বুহূসিল ইসলামিয়্যাহ্‌ ৬/২৬৪-২৬৫)
    QuranerAlo.com – কুর’আনের আলো
  • May 30
  • Sogood Islam Syeds
    5/30, 9:35am

    Sogood Islam Syeds

    প্রশ্ন : যদি কেউ ফজরের স্বলাত কাদ্বা করে ফেলে এবং যোহর পর্যন্ত আদায় না করে বা আদায় করার সুযোগ না পায় বা ভুলে যায়, আর এ অবস্থায় যোহর পড়ে ফেললো, তাহলে তার জন্য করনীয় কি? সে কি যোহরের পর ফজরের কাদ্বা আদায় করতে পারবে? -শেখ রায়হান, নবাবগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ। উত্তর: কাদ্বা স্বলাতের নিয়ম হলো, পরবর্তী নামাযের আগেই তাকে তা আদায় করে নিতে হবে। তারতীব রক্ষা করা ওয়াজিব। খন্দকের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও সাহাবীদের পাঁচ ওয়াক্ত স্বলাত কাদ্বা হয়ে যায়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাহাবীগণকে নিয়ে তা তারতীব তথা ধারাবাহিকতা রক্ষা করে কাদ্বা আদায় করেন। তবে আলেমরা বলেন, তিন কারণে কাদ্বা নামাযের তারতীব ত্যাগ করা যায়- ১- যদি কাদ্বা নামায আদায় করার কারণে ওয়াক্তিয়া নামাযের সময় শেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। ২- যদি কাদ্বা নামাযের কথা ভুলে যায়, আর ওয়াক্তিয়া নামায আদায়ের পর তা স্মরণ হয়। ৩- পাঁচ ওয়াক্তের বেশী স্বলাত কাদ্বা হয়ে গেলে। সুতরাং উপরোক্ত অবস্থায় তিনি যোহরের পর ফজরের কাদ্বা আদায় করতে পারবেন। কারণ তিনি ভুলে গিয়েছিলেন। বা যোহরের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু জামাত দাঁড়িয়ে যাওয়া কোন অজুহাত নয়। প্রয়োজনে তিনি ইমামের সাথে কাদ্বা নামাযের নিয়ত করে তা আদায় করে পরে নিজের ওয়াক্তিয়া নামায আদায় করতে পারেন। আল্লাহ আমাদের জানার ও বুঝার তৌফিক দিন। আমীন ,,,উত্তর দিয়েছেন ড: আবু বকর মুহাম্মদ যাকারিয়া
    জেনে নিন- ইসলামিক প্রশ্ন উত্তর
  • May 30
  • Sogood Islam Syeds
    5/30, 4:35pm

    Sogood Islam Syeds

    আলহা’মদুলিল্লাহ্ !! আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতকে ভালোবাসি আর সমস্ত প্রকার বিদআ’তকে অন্তর থেকে ঘৃণা করি। আমাদের দেশের ইমাম সাহেবেরা ফরয নামায শেষ হলেই দুই হাত তুলে বিভিন্ন দুয়া করেন, আর মুক্তাদীরা সাথে সাথে আমিন আমিন বলেন – এই যে সম্মিলিত মুনাজাতের যে সিস্টেম বানানো হয়েছে – এটা সুস্পষ্ট কুরান ও সুন্নত বিরোধী, বিদআ’তী একটা আমল। মক্কা মদীনার মসজিদে এই বিদআ’তী আমল করা হয়না, আলহা’মদুলিল্লাহ! এইরকম দুয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ) করতেন না, তাঁর মৃত্যুর পর সাহাবীরা করতেন না, তাবেয়ী, তাবে তাবেয়ীরা কেউই করতেন না। এমনকি ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) ও করতেন না। তাহলে আপনারা কেনো করছেন? আপনাদের হুজুর মাওলানারা কি তাদের থেকে ইসলাম বেশি জানেন (নাউযুবিল্লাহ)!!! রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ফরয নামায শেষ করে যেই দুয়াগুলো পড়তেনঃ ১. নামায শেষে ১ বার উচ্চস্বরে “আল্লাহু আকবার” এবং ৩ বার “আসতাগফিরুল্লাহা” সহীহ মুসলিমঃ ১২২২। ২. “আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম, তাবারাকতা ইয়া যাল-জালা-লী ওয়াল ইকরাম” হে আল্লাহ্! তুমিই শান্তি, তোমার থেকেই আসে শান্তি। বরকতময় তুমি হে মর্যাদা ও সম্মানের মালিক। সহীহ মুসলিমঃ ১২২২। ৩. লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহু লা শারীকা লাহু; লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আ’লা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর (১ বার)। [মুসলিম, ১২৪০] ৪. রাসূলুল্লাহ ( সা: ) মুআয বিন জাবাল (রাঃ) কে বলেছিলেনঃ ‘‘তুমি অবশ্যই প্রত্যেক নামাযের পর এই দুয়া করবে, আল্লাহুম্মা আ’ ইন্নী আ’লা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হু’সনি ইবাদাতিকা। হে আল্লাহ! তোমার স্মরণ, কৃতজ্ঞতা এবং সুন্দর ইবাদত করার ব্যাপারে আমাকে সাহায্য কর “। [সুনানু নাসায়ী ,আবু দাউদ ] ৫. আয়াতুল কুরসী (সূরা বাক্বারা আয়াত-২৫৫) ১ বার পড়া। [নাসাঈ] ৬. সুবহা-নাল্লা-হ (৩৩ বার) , আলহাম্দুলিল্লা-হ (৩৩ বার), আল্লাহু-আকবার (৩৩ বার) । এছাড়াও আরো অন্যান্য দুয়া ও যিকির আছে – যার যার সামর্থ্য ও পছন্দনীয় সেইগুলো করবেন ইন শা’ আল্লাহ। (এইগুলো ইন শা আল্লাহ শীঘ্রই আরবীসহ আলাদা পোস্টে দেওয়া হবে)। কিন্তু রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতী আমল বাদ দিয়ে নিজের মনগড়া পদ্ধতিতে এইযে জামাতে হাত তুলে মুনাজাত করার যে সিস্টেমে চালু করা হয়েছে, এটা কি জায়েজ হবে? চলুন আপনি আমি ফালতু প্যাচাল না পেড়ে দেখি সম্মানিত আলেমরা কি বলেছেন – এই সম্পর্কেঃ বিগত শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ আলেম ও সৌদি আরবের প্রধান মুফতি, আল-আল্লামাহ শায়খ আব্দুল আজীজ বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (রাহঃ) কে এই ব্যপারে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো। এর উত্তরে শায়খ বিন বায (রাহঃ) বলেনঃ “পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামায ও নফল নামাযের পর জামাতে এক সাথে দু’আ করা স্পষ্ট বিদ’আত। কারণ, এরূপ দু’আ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর যুগে এবং তাঁর সাহাবীদের যুগে ছিল না। যে ব্যক্তি ফরয নামায ও নফল নামাযের পর জামাতে এক সাথে দু’আ করে সে যেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের বিরোধীতা করে।” হাইয়াতু কেবারিল ওলামা ১/২৪৪ পৃঃ বিগত শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দীস আল্লামা শায়খ নাসিরউদ্দীন আল-আলবানী (রহঃ) বলেন, “দু’আয়ে কুনুতে হাত তুলার পর মুখে হাত মুছা বিদ’আত। নামাযের পরেও এমন করা ঠিক নয়। এ সম্পর্কে যত হাদীস রয়েছে, এর সবগুলিই যঈফ। এজন্য ইমাম আযউদ্দীন বলেন, “নামযের পর হাত তুলে দু’আ করা মুর্খদের কাজ।” সিফাতু সালাতিন নাবী (সাঃ) পৃঃ ১৪১। সৌদি আরবের আরেকজন বিখ্যাত আলেমে দ্বীন ও মুফতি শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমিন (রহঃ) বলেন, “নামাযেরর পর জামাতে দু’আ করা বিদআ’ত। যার প্রমাণ রাসূল (সাঃ) ও তাঁর সাহাবীগণ থেকে নেই। মুসল্লিদের জন্য বিধান হচ্ছে প্রত্যেক মানুষ ব্যক্তিগতভাবে যিকির করবে”। ফাতাওয়া উসাইমিন, পৃঃ ১২০। এতো গেলো আরব দেশের যুগশ্রেষ্ঠ আলেমদের বক্তব্য। এবার চলুন দেখি আমাদের পাক-ভারত উপমহাদেশের দেওবন্দী হানাফী আলেমরা কি ফতওয়া দিয়েছেন। তাফসীর “মারেফুল কুরানের” লেখক – মুফতি শফী সাহবে যিনি এই উপমহাদেশে হানাফীদের বড় একজন আলেম, তিনি এই সম্মিলিত দুয়া সম্পর্কে বলেনঃ মুফতী মুহাম্মাদ শফী (রাহঃ) বলেনঃ “বর্তমানে অনেক মসজিদের ইমামদের অভ্যাস হয়ে গেছে যে, কিছু আবরী দু্’আ মুখস্থ করে নিয়ে সালাত শেষ করেই (দু’হাত উঠিয়ে) ঐ মুখস্থ দু’আগুলি পড়েন। কিন্তু যাচাই করে দেখলে দেখা যাবে যে, এ দু’আগুলোর সারমর্ম তাদের অনেকেই বলতে পারে না। আর ইমামগণ বলতে পারলেও এটা নিশ্চিত যে, অনেক মুক্তাদী এ সমস্ত দু’আর অর্থ মোটেই বুঝে না। কিন্তু না জেনে না বুঝে আ-মীন, আ-মীন বলতে থাকে। এ সমস্ত তামাশার সারমর্ম হচ্ছে কিছু শব্দ পাঠ করা মাত্র। প্রার্থনার যে রুপ বা প্রকৃতি , তা এতে পাওয়া যায় না । মা’আরেফুল কুরআন, ৩য় খন্ড, পৃঃ ৫৭৭। তিনি আরো বলেনঃ রাসূল (সাঃ) এবং সাহাবায়ে কেরাম এবং তাবেঈনে ইযাম হ’তে এবং শরীয়তের চার মাযহাবের ইমামগণ হ’তেও নামাযের পরে এই ধরনের মুনাজাতের প্রমাণ পাওয়া যায় না। সারকথা হ’ল, এই প্রথা পবিত্র কুরআন ও সহীহ হাদীসের প্রদর্শিত পন্থা ও সাহাবায়ে কেরামের আদর্শের পরিপন্থি। আহকামে দু’আ, পৃঃ ১৩। দেওবন্দ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও তাদের বড় আলেম আবুল কাশেম নানুতুবী (রহঃ) বলেনঃ ফরয নামাযের সালাম ফিরানোর পর ইমাম মুক্তাদি সম্মিলিতভাবে মুনাজাত করা নিকৃষ্ট বিদ’আত। এমদুদ্দীন, পৃঃ ৩৯৭। মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহঃ) বলেনঃ ফরয নামাযের পর ইমাম সাহেব দু’আ করবেন এবং মুক্তাদীগণ আ-মীন আ-মীন বলবেন, এ সম্পর্কে ইমাম আরফাহ এবং ইমাম গারবহিনী বলেন, এ দু’আকে সুন্নাত অথবা মুস্তহাব মনে করা না জায়েজ। ইস্তিবাবুদ দাওয়াহ পৃঃ৮। আল্লামা আব্দুল হাই লাক্ষনৌভী (রহঃ) বলেন, বর্তমান সমাজে প্রচলিত প্রথা যে, ইমাম সালাম ফিরানোর পর হাত উঠিয়ে দু’আ করেন এবং মুক্তাদীগণ আ-মীন, আ-মীন বলেন, এ প্রথা রাসূল (সাঃ) এর যুগে ছিল না। ফৎওয়া আব্দুল হাই, ১ম খন্ড, পৃঃ ১০০। এইবার সিদ্ধান্ত আপনার আপনি কোন তরীকা মানবেন – কুরান, সুন্নত ও আলেম ওলামার তরীকা। আর সেটা হলো কুরান ও সহীহ হাদীস মোতাবেক আমল। নাকি আপনার কাছে আপনার আধা মৌলভী আর ভুয়া মুফতি মাওলানা টাইটেল ধারী হুজুরের কথাই বেশি দামী? বিঃদ্রঃ যাদের হেদায়েত আল্লাহ লিখে রাখছেন, তারা সামনে থেকে এই বেদাতী দুয়ায় শরীক হবেন না। যতটুকু সম্ভব সুন্নতী দুয়া, যিকির আযকার করবেন। আর কখনো ইচ্ছা হলে ২-১ বার বা মাঝে মাঝে হাত তুলে একাকী দুয়া করতে পারেন। কিন্তু জামাতে এইভাবে দুয়া করাতে কখনোই শরীক হবেন না, কারণ আল্লাহর রাসুল (সাঃ) এর সুন্নতের বিপরীত হওয়ায় সেটা সম্পূর্ণ পরিত্যজ্য। আল্লাহ আমাদের জানার ও মানার তোওফিক দান করুন।
    ইসলামিক দাওয়াহ
  • Sogood Islam Syeds
    5/30, 4:45pm

    Sogood Islam Syeds

    আবু সুহায়ইলা added a new photo.
    ইমাম আবু হানিফা রহ. দেওবান্দী হানাফিদের নিকট আকিদার ক্ষেত্রে ভ্রান্ত। —————————————- দেওবান্দী হানাফিরা বলে মুখে বলে তারা ইমাম আবু হানিফা রহ. এর অনুসারী। কিন্তু বাস্তবাতায় তা পুরাই ভিন্ন। তারা সকল ক্ষেত্রে ইমাম আবু হানিফাকে অনুস্বরণ করেন না। দেওবান্দী আকাবির মাওলানা খলিল আহমেদ শাহারানপুরী তিনি দারুল উলুম দেওবান্দ থেকে পুরো দেওবান্দীরেদ আকিদা রিপ্রেজেন্ট করেছেন তার বই “আল মুহান্নাদ আলাল মুফান্নাদ” বাংলাদেশে তা ”দেওবান্দী আহলে সুন্নাতের আকীদা” নামে অনুবাদ করা হয়েছে। খলীল আহমাদ শাহারানপুরী পুরো দেওবান্দীদের আকীদা বলতে গিয়ে বলেন: ”আমরা আমাদের জামাত শরীয়তের সকল বিধান-প্রাবিধানে আল্লাহর ইচ্ছায় ইমাম আযম আবু হানিফা রহ. এর অনুসারী। ”আকাইদের ক্ষেত্রে ইমাম আবুল হাসান আশআরী ও ইমাম আবু মনসুর মাতুরিদী এর অনুসারী” এর মানে, ফিকহের ক্ষেত্রে ইমাম আবু হানিফা আর আকিদার ক্ষেত্রে আশআরী বা মাতুরিদী!! তাদের কাছে ইমাম আবু হানিফার আকিদা একটি ভ্রান্ত আকিদা তা নাহলে কেন তারা তার আকিদাকে আকড়ে ধরেনি? এটাই হচ্ছে দেওবান্দী আকিদা। এখন নব্য জাগ্রত দেওবন্দীরা বলতে পারে যে না আমরা এটা মানি না। তাহলে কান দিয়ে ও চোখ খুলে শুনে রাখুন আপনি দেওবান্দী নামের কলংক। এই কলংক থেকে মুক্তির একটাই উপায় নিজেদের আকাবিরদের কিতাবের সংশোধনি করা বা তার বিপরিতে বইলিখে সবাইকে জানিয়ে দেয়া যে আমরা আমাদের আকিদা চেঞ্জ করেছি, এখন থেকে আমারা আকিদার ক্ষেত্রেও ইমাম আবু হানিফার অনুসারী। আরও জানতে শায়খ তালেবুর রহমান হাফিজাহুল্লাহ এর লেকচার: আহলুল হাদীস ও দেওবান্দীদের মাঝে পার্থক্য লেকচারটি শুনুন: https://www.youtube.com/watch?v=UGEeozgLr1Y আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার তাওফিক দিন আমীন।
    আবু সুহায়ইলা
  • Sogood Islam Syeds
    5/30, 7:28pm

    Sogood Islam Syeds

    আশরাফ খান added a new photo.
    #মুখে_উচ্চারণ_করে_রোযার_নিয়ত_পাঠ_করাঃ ছিয়ামের জন্য নিয়ত বা সংকল্প করা জরুরী। কেননা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ مَنْ لَمْ يُبَيِّتِ الصِّيَامَ قَبْلَ الْفَجْرِ فَلَا صِيَامَ لَهُ” “যে ব্যক্তি (প্রথম) ফজরের পূর্বে নিয়ত করবেনা তার ছিয়াম হবে না।” [সুনানে আন-নাসাঈ] নিয়্যাহ-আরবী শব্দ, উহার শাব্দিক অর্থ ইচ্ছা, সংকল্প ও মনে মনে কিছুর আকাঙ্খা রাখা। উহা অন্তরের কাজ (মুখের নয়)। [দেখুন লিসানুল আরব, ১৮ খণ্ড ৩৪৩ পৃঃ] শরীয়ত আমাদেরকে প্রতিটি ইবাদতের জন্য নিয়ত করতে বলেছে। কেননা নিয়তবিহীন আমল অর্থহীনঃ عَنْ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ أَبِي حَفْصٍ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: ” إنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ فَهِجْرَتُهُ إلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ لِدُنْيَا يُصِيبُهَا أَوْ امْرَأَةٍ يَنْكِحُهَا فَهِجْرَتُهُ إلَى مَا هَاجَرَ إلَيْهِ”. رَوَاهُ إِمَامَا الْمُحَدِّثِينَ أَبُو عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بنُ إِسْمَاعِيل بن إِبْرَاهِيم بن الْمُغِيرَة بن بَرْدِزبَه الْبُخَارِيُّ الْجُعْفِيُّ [رقم:1]، وَأَبُو الْحُسَيْنِ مُسْلِمٌ بنُ الْحَجَّاج بن مُسْلِم الْقُشَيْرِيُّ النَّيْسَابُورِيُّ [رقم:1907] رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا فِي “صَحِيحَيْهِمَا” اللذِينِ هُمَا أَصَحُّ الْكُتُبِ الْمُصَنَّفَةِ. অর্থ: আমীরূল মুমিনীন আবু হাফস উমর বিন খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সাঃ) কে বলতে শুনেছিঃ সকল আমলের ফলাফল নিয়তের উপর নির্ভরশীল। প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়ত করে সে তার যথার্থ ফলাফল পায়। সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তার রাসূলের জন্য হিজরত করেছে তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের জন্যই হয়েছে। আর হিজরত দুনিয়া (পার্থিব বস্তু) অর্জন করার জন্য বা কোন মহিলাকে বিয়ে করার জন্য হয়েছে তার হিজরত সে জন্যই সাব্যস্ত হয়েছে। [মুহাদ্দিসগণের মাঝে দুই প্রসিদ্ধ ইমাম বুখারী ও মুসলিম (রহঃ) স্ব স্ব গ্রন্থে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন] তাখরীজুল হাদীসঃ [সহীহ বুখারী, হা/নং (১, ৬১৯৫, ৬৪৩৯) সহীহ মুসলিম, (৩৫৩, ১৯০৭) সুনান তিরমিযী (১৫৭১) নাসায়ী, (৭৪, ৩৩৮৩, ৩৭৩৪) মুসনাদু আহমদ, (১৬৩) সুনান বায়হাকী (২/১৪, ৪/১১২, ৫/৩৯) তাহযীবুল আছার-ত্ববরী, (৮৯০, ৯১০) শুআবুল ঈমান -বায়হাকী, (৬৫৬৯) দারাকুতনী, (১৩৪), সহীহ ইবনু খুযাইমা, (১৪৩) মুশকিলুল আছার-ত্বাহাবী, (৪৪৬৬)। এছাড়া আরো অনেক মুহাদ্দিস তাদের নিজ নিজ গ্রন্থে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন] নিয়ত অনেক দামী সম্পদঃ “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ-“নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা তোমাদের চেহারা ও সম্পদের দিকে তাকান না,বরং তিনি তোমাদের অন্তর ও কর্মের দিকে লক্ষ্য করেন।”[সহীহ মুসলিম] আর অন্তরের দিকে লক্ষ্য করা মানে নিয়্যাতের দিকে লক্ষ্য করা;কেননা,নিয়্যাত হলো কাজের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। অপর এক হাদিসে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “যে ব্যক্তি ভালোকাজের পরিকল্পনা করল, কিন্তু বাস্তবে সে কাজ করতে পারল না,সে ব্যক্তির জন্য সাওয়াব লেখা হবে।” [সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, তারগীব ওয়া তারহীব] সুতরাং শুধু ভালোকাজের পরিকল্পনা করার দ্বারাই কাজটি ভালোকাজ হিসেবে গণ্য হয়ে যায়, প্রতিদান সাব্যস্ত হয়,সাওয়াব অর্জন হয়; আর এটা শুধু ভালো নিয়্যাতের করণেই সম্ভব হয়। ইমাম মুসলিম (রহঃ) সাহাল ইবনু হুনাইফ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন; রাসূল সাসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি খালিছ নিয়্যাতে আল্লাহর কাছে শাহাদাতের মৃত্যুর আশা করবে,সে নিজের বিছানায় মারা গেলেও আল্লাহ তাআলা তাকে শহীদগণের মর্যাদায় পৌঁছিয়ে দিবেন।” [সহীহ মুসলিমঃ ৪৯০৭] নিয়্যাতের ভালো-মন্দের ফলাফল এর নমুনাঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ- “এ উম্মতের দৃষ্টান্ত চার ব্যক্তির দৃষ্টান্তের মতো- ১. আল্লাহ তাআলা এক ব্যক্তিকে সম্পদ ও ‘ইলম(জ্ঞান) দান করেছেন, অতঃপর সে তার জ্ঞান দ্বারা আমল করেন, তার সম্পদকে হক পথে খরচ করেন; ২. আরেক ব্যক্তিকে আল্লাহ ‘ইলম দান করেছেন, কিন্তু তাকে সম্পদ দেননি, অতঃপর সে বলে,আমার যদি এ ব্যক্তির মতো সম্পদ থাকত,তাহলে আমি ঐ ব্যক্তির মতই কাজ করতাম; রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ- সাওয়াবের ক্ষেত্রে তারা উভয়ে সমান। ৩. আরেক ব্যক্তিকে আল্লাহ তাআলা সম্পদ দান করেছেন,কিন্তু তাকে ‘ইলম দেননি, অতঃপর সে তার সম্পদকে এলোমেলোভাবে কাজ করে তা অন্যায় পথে খরচ করে; ৪. অপর আরেক ব্যক্তি হলো আল্লাহ তাকে সম্পদ ও ‘ইলম কোনটিই দান করেননি,অতঃপর সে বলে, আমার যদি এ ব্যক্তির মতো সম্পদ থাকত, তাহলে আমিও ঐ ব্যক্তির মতোই কাজ করতাম।রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ- গুনাহের ক্ষেত্রে তারা উভয়ে সমান।” [সুনানে তিরমিজি, সুনানে ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমাদ, তারগীব ওয়া তারহীব] পরিশেষে… যেহেতু ভালো নিয়্যাতকারী ব্যক্তিকে ভালো কাজের সাওয়াব দেওয়া হয়; আর মন্দ নিয়্যাতকারী ব্যক্তিকে মন্দ কাজের প্রতিদান দেয়া হয়। সুতরাং আল্লাহর তাআলা যেন মুসলিমউম্মাহকে সব সময় উত্তম কাজ এবং উত্তম নিয়্যাতের ওপর থাকার তাওফিক দান করেন। (আল্লাহুম্মা আমীন) কোথাও নিয়ত মুখে বলতে বলা হয় নি। অতএব #নাওয়াইতু…… শব্দের মাধ্যমে নিয়ত বলা একটি অহেতুক কাজ। আর শরীয়তের দৃষ্টিতে জঘন্যতম বিদআত। কেননা এই অহেতুক কাজটি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), ছাহাবাহবর্গ, তাবেঈন, আত্‌বাউত তাবেঈন ও চার ইমামের কেউ-ই করেন নি। এ মর্মে কুরআন-সুন্নাতে কোন দলীলও খুঁজে পাওয়া যাবে না। [বিঃদ্রঃ বিদাত অন্যতম একটা কাবীরাহ (বড়) গুনাহ ]
    আশরাফ খান
  • Sogood Islam Syeds
    5/30, 7:39pm

    Sogood Islam Syeds

    মোল্লা সংবাদ -২) আমাৰ সমাজত এটা নিয়ম আছে – ঘৰখনৰ যিটো ল’ৰা আটাইতকৈ উৎপতীয়া আৰু পঢ়া – শুনাত একেবাৰে গাধ তাক নিয়ন্ত্ৰণ কৰিবলৈ শেষ উপায় হিচাপে মাদ্ৰাছাত মৌলানা পঢ়িবলৈ পঠিয়াই দিয়ে । যি নিজৰ মাতৃভাষাৰ পাঠ্যক্ৰম সম্পূৰ্ণ কৰিব নোৱাৰে তাক এটা বিদেশী ভাষাত শিক্ষা প্ৰদান কৰা হয় । কিবাকৈ মৌলানা পাছ কৰি আহি আমাৰ নিচিনা মুৰ্খৰ দল এটাৰ প্ৰতিনিধিত্ব কৰিবলৈ আৰম্ভ কৰে । জোনাবে যিটো কয় সেইটোৱেই সঁচা । লাগিলে জোনাব চাহাবৰ কথা মিছাই হওঁক । প্ৰতিবাদ কৰাৰ সাহস নাই কাৰণ সেই বিষয়ৰ ওপৰত আমাৰ সম্যক জ্ঞান নাই । এনে মোল্লাই জিহাদ মানে কি ক’ব নোৱাৰে । জিহাদ মানে হিন্দুক জোৰ জুলুম কৰি ধৰ্মান্তৰিত কৰা নহ’লে মাৰি কাটি খাস্তাং কৰাটোকে বুজে অথবা ব্যাখ্যা কৰে । অপব্যাখ্যা কৰি ধৰ্মীয় অসহিষ্ণুতাৰ বীজ ৰোপণ কৰে । ধৰ্মৰ নামত উন্মাদ হৈ পৰে এওঁলোক । আজমল কাচাব নামৰ সন্ত্ৰাসবাদীটোও এনেকুৱা ধাৰণাৰে পৰিপুষ্ট এটা প্ৰি প্ৰগেম্ড ৰিলিজিয়াছ এটম বম্ব । এই মোল্লা মখাও একেই । যিকোনো সময়তে গাত বান্ধি থোৱা বোমাটো ফুটাই দিব পাৰে । ইছলাম ধৰ্মৰ ঘাই সুঁতিৰ পৰা ইহঁত বহু দূৰত । সুবিধাবাদী এইসকল মোল্লাই নিজাকৈ নিয়ম কানুন সৃষ্টি কৰি মানুহক বিপথগামী কৰাত উঠি পৰি লাগিছে । সকলো সাৱধান হ’বৰ হ’ল । বি.দ্ৰ.- মই ইয়াত সকলো মৌলানা/আলীমৰ কথা কোৱা নাই । এচাম পথভ্ৰষ্ট মৌলানাৰ কথাহে কৈছোঁ । বিজ্ঞ হাক্কানী আলীম সকল সমালোচনাৰ উৰ্ধত । তেওঁলোকক সমালোচনা কৰাৰ অধিকাৰ অথবা ক্ষমতা এটাও আমাৰ নাই । মোৰ শুদ্ধ অধ্যয়ন আৰু বাস্তৱ অভিজ্ঞতাৰ পৰা এইখিনি আগবঢ়ালোঁ ।
    Firoz Sultan
  • Sogood Islam Syeds
    5/30, 7:56pm

    Sogood Islam Syeds

    আঃ কাদির জিলানী রহঃ কে গাউসুল আযম বলা শিরক । কেননা, গাউসুল অর্থ বিপদ থেকে মুক্তিদানকারী এবং আযম অর্থ সবচেয়ে বড় । অতএব, গাউসুল আযম আঃ কাদির জিলানী রহঃ এর অর্থ= বিপদ থেকে সবচেয়ে বড় মুক্তিদানকারী হলো আঃ কাদির জিলানী রহঃ । নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক । এভাবেই “অধিকাংশ লোক ঈমান আনার পরেও শির্কে লিপ্ত” । অতএব, শির্ক থেকে বেচে থাকুন মুসলিম ভাইয়েরা । Rh Qadir Jilani said Azam, who Gausul AS header. For example, bidapa Gausul money from money is the biggest so forgiving and Azam Azam AS Gausul money Qadir, who was released from the dangers of the biggest Qadir Jilani RA AS.
    Muhammad Tufazzul Husain
  • Sogood Islam Syeds
    5/30, 8:05pm

    Sogood Islam Syeds

    Rowshon Kabir added a new photo.
    যারা ভিন্ন ভিন্ন দিনে সিয়াম ঈদ তথা চান্দ্রমাস শুরু করেন, তাদের জন্য প্রথম লজিকথ্রেড। দয়াকরে অংশগ্রহন করবেন। ১. যে মুহুর্তে নতুন চাঁদ দেখা যাচ্ছে, তা সে পৃথিবীর যে অংশ থেকেই দেখা যাক না কেন, ধরুন রমযানের চাঁদ, সেই মুহুর্ত থেকেই পৃথিবীর আকাশে, ফোকাস করুন, গোটা পৃথিবীর আকাশে যে চাদঁটি ঘুর্নায়মান – সেটা রমযানের চাঁদ। বাংলাদেশে যে সময় সেটা দেখা যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু দেখা যায় নি, কারন সুর্যের আলো সেখানে পড়েনি তখনও। তিন ঘন্টা পর পৃথিবী আরেকটু সরেছে, চাঁদও সরেছে, সোমালিয়ার মানুষ তিন ঘন্টা পর তাদের আকাশে প্রথম সে চাঁদ দেখে। নতুন চাঁদ। রমযানের চাঁদ। কিন্তু, বাংলাদেশের মানুষ সেদিন সারারাত, পরদিন সারাদিন ধরে নিল, তাদের আকাশে এখনও শাবানের চাঁদ। চাঁদ কয়টি? একটিই। হ্যাঁ, পরে দেখেছে। কতক্ষণ পর? ২১ ঘন্টা পর। ২১ ঘন্টা পরের যে চাঁদকে আমরা রমযানের নতুন চাঁদ ভাবছি, পুরো পৃথিবীকে চাদ-সুর্য-পৃথিবীর সীমানার বাইরে থেকে দেখা একজনের দর্শকের জন্য(স্যাটেলাইট, তৃতীয়/চতুর্থ আসমানের কেউ, আসমানের কোন ফিরিশতা কিংবা আল্লাহ সুবহানাতায়ালা), তার জন্য সেটি রমযানের ২১ ঘন্টা পাড়ি দেয়া চাঁদ, যেটি আর তিন ঘন্টা পরই রমযানের দ্বিতীয় দিনের চাদে পরিনত হবে – গোটা পৃথিবীর আকাশসীমার হিসেবে। সুতরাং, লজিক্যালি যখন চান্দ্রমাস পৃরো পৃথিবীতে শেষ হওয়ার কথা দশ/এগার ঘন্টার মধ্যে, সেটা একটি রং ক্যালকুলেশনে গিয়ে ২৪+১০/১১ ঘন্টায় শেষ হচ্ছে। এভরি মানথ্, এভরি ইয়ার! উপরোক্ত হাইপোথিসিসে (যদিও এটাকে ফ্যাক্ট হিসেবে প্রমান করা এই বিজ্ঞানের যুগে কয়েক মিনিটের ব্যাপার মাত্র, কিন্তু সাধারন মানুষের বোঝানোর জন্য এত কথা বলতে হচ্ছে) যদি কোন ভুল পান, তবে বলুন, উদারমনে গ্রহন করা হবে।
    Rowshon Kabir
  • May 31
  • Sogood Islam Syeds
    5/31, 1:04am

  • Sogood Islam Syeds
    5/31, 1:05am

  • Sogood Islam Syeds
    5/31, 1:09am

    Sogood Islam Syeds

    http://www.waytojannah.com/mujamul-quran-with-encyclopedic-index/ পবিত্র কুরআনের মহান শিক্ষাকে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে সহজলভ্য করার একটি মহৎ স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষে মুজামুল কুরআন রচিত। এটিতে পবিত্র কুরআনের তরজমাসহ একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দসূচী (Encyclopedic Index) প্রণয়ন করা হয়েছে। এত কুরআনের প্রায় প্রতিটি শব্দ বা বিষয় বর্ণমালার ক্রমানুসারে সাজানো হয়েছে। প্রথমে রয়েছে মূল শব্দ এরপর রয়েছে দ্বিতীয় প্রসঙ্গ। প্রতিটি শব্দ ধরেই কাঙ্খিত আয়াত পাওয়া যাবে। ইনডেক্সে প্রতটি বিষয়ের ডানপাশে রয়েছে বইটির পৃষ্ঠা নম্বর, সুরার নাম ও আয়াত নম্বর। পৃষ্ঠা নম্বর ও আয়াত নম্বর অনুসরণ করেও কাঙ্খিত বিষযটি দেখে নেওয়া যাবে। এছাড়া বিস্তারিত জানার জন্য কুরআনের তরজমার সাথে সংশ্লিষ্ঠ আয়াতটি পড়ার সুবিধা রয়েছে। ইনডেক্স এর ব্যবহারবিধি প্রথমেই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই সাথে এতে সংযোজিত হয়েছে কুরআনের সহজ ও সাবলীল তরজমা বা অনুবাদ। এটি প্রকাশ করেছে আই.ই.আর.এফ (ইন্টিগ্রেটেড এডুকেশন এন্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশন)। এতো বড় বই স্ক্যান করে দিয়েছেন মানহাজ উস সালেহীন ভাই। আমাদের টীম বইটির এডিট করেছে। আল্লাহ তাদের সকলকে কবুল করুন। মুজামুল কুরআনের বিশেষত্ব: মুজামুল কুরআনের অনুবাদে পবিত্র কুরআনের মুল টেক্সট এর প্রতিটি শব্দের অর্থ সন্নিবেশিত করা হয়েছে। সেই সাথে মৌলিক বাক্যবিন্যাস ও কুরআনের নিজস্ব প্রকাশভঙ্গির স্বকীয়তা বজায় রাখা হয়েছে। অনুবাদে প্রতিটি শব্দের অর্থ থাকায় এর পূর্ণাঙ্গ ইনডেক্স প্রণয়ন করা সহজ হয়েছে। আরবী ও বাংলা ভাষার বাক্যগঠন ও প্রকাশরীতি অনুযায়ী আলাদাভাবে সাজানো হয়েছে। যেখানে কোন আয়াতের বিভিন্ন তাফসির রয়েছে সেখানে যে তাফসিরটি আয়াতের পূর্বাপর প্রসঙ্গের সাথে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ সে আলোকেই সংশ্লিষ্ট আয়াতের তরজমা করা হয়েছে। প্রতিটি শব্দ যথাযথ তাহক্কীক করার পরই তরজমা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য বিখ্যাত আরবী অভিধানসমূহের সাহায্য নেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে মৌলিক তাফসীর গ্রন্থাবলীর সাহায্য নেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আয়াতে আরবী ব্যাকরণগত দিক নিশ্চিত হওয়ার জন্য বিভিন্ন মৌলিক তাফসীর গ্রন্থাবলীতে বর্ণিত ব্যাকরণগত বিশ্লেষণের সাহায্য নেয়া হয়েছে। কুরআনে যে শব্দটি বহুবচন ব্যবহৃত হয়েছে সেটার সঠিক মর্ম প্রকাশের স্বার্থে বাংলা তরজমায়ও বহুবচন লেখা হয়েছে। বাংলায় ভাব প্রকাশের জন্য কোন বিশেষ্যের একাধিক বিশেষণ এবং বাক্যের উদ্দেশ্য এর একাধিক বিধেয় থাকার ক্ষেত্রে ‘ও’ ব্যবহার করা হয়েছে। কুরআনের মুল টেক্সট-এ যেসব যতিচিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে তার আলোকে বাংলা ভাষার যতিচিহ্ন যেমন দাড়ি, কমা, হাইফেন, ইনভার্টেড কমা ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলা ভাষায় বর্তমানে প্রচলিত তরজমার সাথে এ তরজমা কুরআনের স্বকীয়তা বজায় রাখার কারণে অনেক ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র ও ভিন্নধর্মী হযেছে। এ তরজমা যথাসম্ভব সঠিকভাবে সম্পাদনার জন্য প্রাচীন ও আধুনিক প্রায় অর্ধশত তাফসীরের সাহায্য নেয়া হয়েছে। এক নজরে বইটি: মু’জামুল কুরআন পবিত্র কুরআন, কুরআনের তরজমা ও পূর্ণাঙ্গ শব্দসূচী তরজমা, টীকা, সংকলন ও পূর্ণাঙ্গ শব্দসূচী সম্পাদনা: মু’জামুল কুরআন সম্পাদনা পরিষদ প্রকাশনায়: ইন্টিগ্রেটেড এডুকেশন এন্ড রিসার্চ সেন্টার। (আই.ই.আর.এফ)
    Maksud Bin Amal
  • Sogood Islam Syeds
    5/31, 1:10am

    Sogood Islam Syeds

    মহিলাগণ কোথায় ইতিকাফ করবে? এক বোনের প্রশ্ন: ———————– আসসালামু আলাইকুম। শাইখ, আমার এক খালাম্মা প্রতি রমজানের শেষে ঘরের মধ্যে ইতিকাফে বসেন। তাকে নিষেধ করা হলেও বসবে। কারণ, মসজিদের হুজুররা বলে ঘরে মহিলাদের ইতিকাফ হবে। আমাকে কুরআন- হাদিসের দলিল সহকারে এ বিষয়ে একটু জানাবেন প্লিজ। জাযাকাল্লাহু খয়রান। ———————— উত্তর: ওয়ালাইকুমুস সালাম ওয়া রাহতুল্লাহ। ইতিকাফের জন্য শর্ত হল, মসজিদ। মসজিদ ছাড়া ইতিকাফ সহীহ নয়। এই শর্ত পুরুষ-মহিলা সবার জন্য প্রযোজ্য। আল্লাহ তায়ালা বলেন: أَن طَهِّرَا بَيْتِيَ لِلطَّائِفِينَ وَالْعَاكِفِينَ وَالرُّكَّعِ السُّجُودِ “তোমরা আমার গৃহকে তওয়াফকারী, অবস্থানকারী ও রুকু-সেজদাকারীদের জন্য পবিত্র রাখ।” (সূরা বাকারা: ১২৫) আল্লাহ আরও বলেন: وَلَا تُبَاشِرُوهُنَّ وَأَنتُمْ عَاكِفُونَ فِي الْمَسَاجِدِ “আর যতক্ষণ তোমরা এতেকাফ অবস্থায় মসজিদে অবস্থান কর, ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সাথে মিশো না। ” (সূরা বাকরা:১৮৭) এ আয়াতগুলোতে মসজিদে ইতিকাফ করার কথা উল্লেখিত হয়েছে। সহীহ বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يعتكف العشر الأواخر من رمضان حتى توفاه الله، ثم اعتكف أزواجه من بعده “রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রামযানের শেষ দশকে ইতিকাফ করেছেন আর তাঁর ইন্তিকালের পরে তাঁর স্ত্রীগণ ইতিকাফ করেছেন।” নারীদের জন্য তার ঘরকে মসজিদ বলা ঠিক নয়। কারণ, মসজিদে ঋতুবতি মহিলাদের প্রবেশ নিষেধ। ঘর যদি মসজিদ হত তাহলে সে ঘরে মহিলাদের অবস্থান করা বৈধ হত না এবং ঐ ঘর বিক্রয় করা বৈধ হত না। বি: দ্র: মসজিদের মধ্যে মহিলাদের যদি নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকে এবং তার ইতিকাফের কারণে যদি সন্তান প্রতিপালন, ঘর-সংসারের নিরাপত্তা এবং তার উপর অর্পিত অপরিহার্য কবর্ত্য পালনে ব্যাঘাত না ঘরে তবে স্বামী বা অভিভাবকের অনুমতি স্বাপেক্ষে ইতিকাফ করা বৈধ হবে। অন্যথায়, তার জন্য ইতিকাফ না করে বরং নিজ দায়িত্ব যাথাযথভাবে পালন, সংসার দেখা-শোনা, স্বামীর সেবা ইত্যাদিতেই অগণিত কল্যাণ নিহীত রয়েছে। তিনি কাজের ফাঁকে যথাসাধ্য দুয়া, তাসবীহ, কুরআন তিলাওয়াত, নফল সালাত ইত্যাদির মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করবেন। আল্লাহই তাওফীক দাতা। উত্তর দাতা: আবদুল্লাহিল হাদী বিন আবদুল জলীল।
    জেনে নিন- ইসলামিক প্রশ্ন উত্তর
  • Sogood Islam Syeds
    5/31, 1:11am

    Sogood Islam Syeds

    আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আমি কি তোমাদের এমন জিনিসের খবর দেব না যার দ্বারা আল্লাহ্ গোনাহ্ মাফ করেন এবং তোমাদের মর্যাদা উন্নত হয়? সাহাবাগণ বললেন: অবশ্যই বলুন হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন: তা হচ্ছে- কষ্টের সময়ে সুন্দরভাবে অযূ করা, মসজিদের দিকে বেশী বেশী পদচারণা করা এবং এক নামাযের পর অন্য নামাযের জন্য অপেক্ষা করা। আর এ হলো জিহাদে প্রতিরক্ষার কাজের ন্যায়।” [মুসলিম: ২৫১]
    জান্নাতুল ফেরদাউস